গল্প নয় সত্যি

হাসিখুশি নারী বনাম গম্ভীর পুরুষ

আপডেট : ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২০:২৭
প্রথম দর্শনেই হোক কিংবা শত দর্শনে, আগ্রহী নারী কিংবা পুরুষেরা প্রায় সবক্ষেত্রেই তাদের প্রেমের ভুবনে পেতে চান সাফল্য। আর এই সাফল্য লাভের গোপন এক সূত্রই এবার জানিয়ে দিয়েছেন কানাডার একদল গবেষক। তাদের দাবি, মেয়েদেরকে প্রেমের বাঁধনে বাঁধতে হলে বা তাদেরকে আকৃষ্ট করতে হলে পুরুষদের উচিত তুলনামুলক কম হাসি দেওয়া এবং যথাসম্ভব গম্ভীর থাকার চেষ্টা করা। অন্যদিকে পুরুষ সঙ্গীর দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য নারীরা কিছুটা হাসিখুশি হওয়াই ভালো। অন্যদিকে, আকর্ষণীয় দেহাবয়বের চাইতে যেসব পুরুষ তাদের ভুল বা শুদ্ধ অবস্থান সম্পর্কে যুক্তি তুলে ধরতে পারে বা নিজেদের তেজোদীপ্ত মনোভাবটি প্রকাশ করতে সক্ষম হয় তাদের সঙ্গেই নারীরা বেশি সুখী হয় বলে মত প্রকাশ করেছেন এই কানাডীয় গবেষকরা। গবেষণার এই ফল প্রকাশিত হয়েছে আমেরিকার সাইকোলজিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন জার্নাল অব ইমোশনে। গবেষণার অংশ হিসেবে প্রথমেই কিছু নারী ও পুরুষের ছবি সংগ্রহ করা হয়। তারপর এই ছবিগুলো জরিপে অংশ নেওয়া বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষদের দেখানো হয় এবং প্রত্যেকের কাছে তাদের বিপরীত লিঙ্গের মানুষটি কতোটা কম বা বেশি আকর্ষণীয় তা বিস্তারিতভাবে জানতে চাওয়া হয়। এতে দেখা যায়, ছবিতে যেসব পুরুষকে তুলনামূলক বেশি হাসিখুশি বলে মনে হচ্ছিল তাদের চাইতে গম্ভীর অভিব্যক্তির পুরুষদেরকেই নারীরা বেশি আকর্ষণীয় বলে রায় দিয়েছেন। অন্যদিকে নারীদের প্রতি পুরুষদের মূল্যায়নের ক্ষেত্রে এই বিষয়টি ছিল সম্পূর্ণ বিপরীত। এ প্রসঙ্গে গবেষণাটি যিনি পরিচালনা করেন ইউনিভার্সিটি অব ব্রিটিশ কলোম্বিয়ার সেই মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপক জেসিকা ট্রেসি বলেন, ‘ছবিতে যেসব পুরুষ হাসছিলেন তাদেরকে যেখানে নারীরা কম আকর্ষণীয় বলে রায় দেন সেখানে পুরুষদের মতামত ছিল সম্পূর্ণ বিপরীত। এমনকি হাসিকেই নারীর সবচেয়ে আকর্ষণীয় অভিব্যক্তি বলেও রায় দেন জরিপে অংশ নেওয়া পুরুষেরা।’