ডিএসই’র লেনদেনে সিমেন্ট খাতের প্রাধান্য

আপডেট : ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২০:৫৩
গতকাল সপ্তাহের শেষ দিন বৃহস্পতিবার বড় মূলধনী কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দর পতনের ফলে সূচক খুব একটা বাড়েনি। তবে ডিএস-৩০ মূল্য সূচকের পতন হয়েছে। এদিকে বহুদিন পর গতকাল দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) লেনদেনে সিমেন্ট খাতের প্রাধান্য দেখা গেছে। গতকাল এ খাতের কোম্পানিগুলোর লেনদেন হয়েছে প্রায় ৭৮ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। যা বাজারের মোট লেনদেনের প্রায় ১৪ শতাংশ। লেনদেনের দিক থেকে এরপরই ছিল ইঞ্জিনিয়ারিং খাত এবং ফার্মাসিউটিক্যালস খাত। তথ্যে দেখা গেছে, দিনভর ওঠানামা হলেও দিনশেষে ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্সে (ডিএসইএক্স) পরিবর্তন হয়নি। ডিএস-৩০ সূচক ৬ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৫০৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৫৬৫ কোটি ২৮ লাখ ৪১ হাজার টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ১৯ কোটি টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ২৮৬টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৬৩টির, কমেছে ৯৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৬টি কোম্পানির শেয়ারের। আইডিএলসি’র দৈনন্দিন বাজার বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, বিনিয়োগের পরিবেশ পরিস্থিতি বিবেচনার প্রবণতায় গতকালও বাজারে সূচক খুব একটা বাড়েনি। বড় মূলধনী কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দর পতন হয়েছে প্রায় ১ দশমিক ১৫ শতাংশ। আর ক্ষুদ্র মূলধনী কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দর বেড়েছে প্রায় ৩ দশমিক ৫৬ শতাংশ। ক্ষুদ্র মূলধনী কোম্পানিগুলোর দর বাড়ার প্রবণতা বেশি থাকায় সূচক কমতে পারেনি। তবে বড় মূলধনী কোম্পানিগুলোর দরপতনের ফলে সূচক প্রায় অপরিবর্তনীয় রয়ে গেছে। দাম বাড়ার ক্ষেত্রে এগিয়ে ছিল সিমেন্ট খাত। এ খাতের কোম্পানিগুলোর দাম বেড়েছে প্রায় ৩ দশমিক ৮৪ শতাংশ। এরপরই রয়েছে বীমা খাত এবং ইঞ্জিনিয়ারিং খাত।