আশুলিয়া এলাকার পয়ঃনিষ্কাশনের একমাত্র নয়নজুলী খালটি দিনদিন প্রভাবশালীদের দখলে চলে যাচ্ছে। দীর্ঘ ৫ কি.মি. দৈর্ঘ্যের এ খালটি বর্তমানে ড্রেনের আকার ধারণ করেছে। বিগত ৮ বছর যাবত্ পরিবেশবাদী সংগঠন কাশফুলের আন্দোলনের কারণে খালটি এখনও বিলীন হয়ে যায়নি বলে স্থানীয়রা জানান। সমপ্রতি এলাকায় জমির দাম বৃদ্ধির কারণে বাধাহীনভাবে প্রভাবশালী মহল খালটি দখল করে নিচ্ছে। ফলে আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলের পানি নিষ্কাশনের পথটি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। সামান্য বৃষ্টিতেই বৃষ্টির পানির সাথে কল-কারখানার দূষিত বর্জ্যে প্লাবিত হচ্ছে বাসাবাড়ি। এ দখল কাজে পরিবেশবাদী সংগঠন কাশফুল দীর্ঘদিন আন্দোলন করায় সংগঠনের সভাপতি আসাদুজ্জামান আকাশকে প্রভাবশালী ভূমিদস্যুরা বিভিন্ন সময়ে মৃত্যুর হুমকি দিয়ে আসছে। এর প্রতিবাদে শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় জামগড়া ফ্যান্টাসী কিংডমের সামনে কাশফুলের উদ্যেগে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিবাদ সভায় কাশফুলের সভাপতি বলেন, হুমকি-ধামকি দিয়ে এ আন্দোলন বন্ধ করা যাবে না। তিনি অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন আন্দোলন করেও নয়নজুলি খালটি এখনও দখলমুক্ত হয়নি। এ বিষয়ে প্রশাসন দ্রুত ও কার্যকরী পদক্ষেপ নিবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। অবিলম্বে এ নয়নজুলি খালটি দখলমুক্ত করা না হলে জনগণকে সাথে নিয়ে প্রয়োজনে আদালতের শরণাপন্ন হবেন। উক্ত ঘটনার জন্য তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করেন হাবিবুর রহমান খান, সাবেক প্রধান বিচারপতি ও সাবেক ট্রুথ কমিশনের চেয়ারম্যান, গোলাম মোস্তাকীম, সাবেক সচিব, সংস্থাপন মন্ত্রণালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি শরীফ এনামুল কবীর, অধ্যাপক ড. খবিরউদ্দিন, চেয়ারম্যান, পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগ, জাবি, অধ্যাপক আতিকুর রহমান, ইতিহাস বিভাগ, জাবি, জাভেদ মোস্তফা, সভাপতি, ঢাকা প্রেসক্লাব, তুহিন খান, সভাপতি সাভার প্রেসক্লাব, শাহআলম, সভাপতি, আশুলিয় প্রেসক্লাব, গোলাম মোস্তবা ধ্রুব , প্রতিষ্ঠাতা, প্রেসক্লাব, জাবি প্রমুখ।-প্রেস বিজ্ঞপ্তি
