‘মায়রে মাথায় নিয়া হাঁটতে মোর কোন কষ্ট অয় না’

আপডেট : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২১:৫৪
উপরের ছবিটি দেখে হতবাক না হয়ে উপায় নেই। বৃদ্ধা মা ঊষা রানীকে মাথায় নিয়ে পথচলা যুবকটির নাম ধীরেন্দ্রনাথ মজুমদার। তার বাড়ি মোরেলগঞ্জের চন্ডিপুর গ্রামে। তার মা উষা রানীর বয়স (১১০)। ঝুড়িতে নিয়ে মাথায় বহন করে ডাক্তারের কাছে নিয়ে আসেন ছেলে ধীরেন্দ্রনাথ মজুমদার। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন চন্ডিপুর থেকে প্রায় ১০ মাইল দুর্গম পথ পাড়ি দিয়ে প্রায়ই ডাক্তারের কাছে অসুস্থ মাকে নিয়ে আসেন ধীরেন্দ্রনাথ মজুমদার। অর্থনৈতিক সংকটে খেয়ে না খেয়ে সংসার চলে তার। এ অবস্থায় মাকে চিকিত্সা করাতে খুব কষ্ট হচ্ছে বলে জানান তিনি। ধীরেন্দ্রনাথ মজুমদার বলেন, ‘সৃষ্টিকর্তার পরইতো মা। তাই মায়রে মাথায় নিয়া হাঁটতে মোর কোন কষ্ট অয় না। টাহার অভাবে মায়রে ডাক্তার দেহাইতে ম্যালা কষ্ট অয়। হ্যারপরেও মায়রে মাথায় লইয়া হাঁটু সমান কাদা ভাইঙ্গা আইতে কোন কষ্ট ঠেহি না।’ জিয়ানগরের পল্লী চিকিত্সক মিজানুর রহমান জানান, প্রায়ই ধীরেন্দ্রনাথ মজুমদার তার অসুস্থ মাকে মাথায় বহন করে নিয়ে আসেন আমার কাছে। ঊষা রানী মজুমদারের সুচিকিত্সার জন্য অনেক টাকার প্রয়োজন। যা তার ছেলের পক্ষে যোগাড় করা সম্ভব হচ্ছে না।