মোহনগঞ্জ উপজেলার সমাজ সহিলদেও ইউনিয়নে দুইদল গ্রামবাসীর এক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে পুলিশ ও শিক্ষকসহ শতাধিক লোক আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকালে জয়পুর-নয়াপাড়া গ্রামবাসীর মধ্যে বিদ্যুতের সংযোগকে কেন্দ্র করে শুক্রবার থেকে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশের সহায়তায় প্রশমিত হলেও শনিবার সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছলেও পুলিশের উপস্থিতিতে দুই ঘন্টাব্যাপী সংঘর্ষ চলে। পরে নেত্রকোনা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে মোতায়েন করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
জয়পুর নয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, জয়পুর গ্রামের কয়েক হাজার লোক তাদের বাড়িঘরে হামলা করে টাকা-পয়সা স্বর্ণালংকার ও ২৩টি গরু, ১টি ছাগল লুট করে নিয়ে যায়। এসময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের এসআই বুরহান ও এসআই মমতাজ উদ্দিনসহ ৪ জন পুলিশ আহত হয়। উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হাসান জানান, ১৩ সেপ্টেম্বর পল্লী বিদ্যুতের ইঞ্জিনিয়ার মো:আব্দুর রহিম, ইলেকট্রিশিয়ান আশিক মিয়া, লাইনম্যান সবুজ মিটার চেক করে আসেন। পরে মোহনগঞ্জের স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সমন্বয়ে সংযোগ লাইন উদ্বোধনের দিনক্ষণ স্থির হলে এতে বাদ সাধে জয়পুরের বাসিন্দারা।
আহতদের ৫০ জনকে মোহনগঞ্জ হাসপাতালে চিকিত্সা দেয়া হয়। হাসপাতালে ভর্তি ৩২ জন। আওয়ামী লীগ নেতা বারকু খানকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
সংঘর্ষের ঘটনায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হাসানুজ্জামানকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।
