আগামী বছর ঢাকায় এশিয়া কাপ হবে, এমন সিদ্ধান্ত এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (এসিসি) আগেই নিয়ে রেখেছিলো। কিন্তু টুর্নামেন্টের ভাগ্য ঝুলে ছিলে ভারতের াসূচি মেলা, না মেলার ওপরে। অবশেষে শনিবার রাতে এসিসি’র বৈঠক শেষে নিশ্চিত করা হলো যে, আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ৭ মার্চ পর্যন্ত ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে টানা দ্বিতীয় এশিয়া কাপ।
যতোদূর জানা গেছে মিরপুর ও ফতুল্লায় হবে এশিয়া কাপের খেলাগুলো।
এশিয়া কাপ এই সময়ে ঢাকায় আয়োজন নিয়ে সমস্যা ছিলো মূলত দুটি পক্ষ থেকে—ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) ও সম্প্রচারকারী প্রতিষ্ঠান নিম্বাস। নিম্বাসের সঙ্গে এসিসির ঝামেলা পুরোপুরি না মিটলেও বিসিসিআইয়ের কাছ থেকে এসিসি নিশ্চয়তা পেয়েছে যে, তারা এশিয়া কাপে অংশ নিচ্ছে। ফলে আর কোনো বাধা রইলো না এই আয়োজনের।
ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি এন শ্রীনিবাসন, শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটের সচিব নিশান্থ রানাতুঙ্গা, পাকিস্তানের প্রধান অপারেটিং কর্মকর্তা সুবহান আহমেদের উপস্থিতিতে এই সভায় তাই আসছে এশিয়া কাপের দিনক্ষণ অন্তত চূড়ান্ত হয়েছে। ক্রিকেট বিষয়ক ওয়েবসাইট ক্রিকইনফোকে এ খবর নিশ্চিত করে বলেছেন, ‘ভারত এই তারিখে খেলতে রাজি হয়েছে। আমরা এখন সম্প্রচারকারীদের সাড়ার অপেক্ষায় আছি। তারা যাই বলুক, এই সময়ে এশিয়া কাপ হবে। কারণ শুধু এই সময়েই অংশগ্রহণকারী চার দেশকে ফাঁকা পাওয়া সম্ভব হচ্ছে।’
এশিয়া কাপে বাকি তিন এশিয়ার টেস্ট খেলুড়ে দেশ—বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানের কোনো সমস্যা না হলেও ভারতের নিউজিল্যান্ড সফর নিয়ে সমস্যা হচ্ছিলো। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ভারতের আগের সূচি অনুযায়ী তাদের সফর শেষ হওয়ার কথা ছিলো একদম এশিয়া কাপ শুরুর সময়ে। সে ক্ষেত্রে তাদের পক্ষে এখানে আসা কঠিন হতো। তবে বিসিসিআই নতুন যে সূচি নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে চূড়ান্ত করেছে, তাতে ১৮ ফেব্রুয়ারি সফর শেষ হয়ে যাচ্ছে ভারতের। ফলে তাদের আর আসতে কোনো বাধা নেই। পাকিস্তানের তরফ থেকেও ঢাকায় আসতে আর আপত্তি নেই।
এদিকে নিম্বাস নিজেদের দেউলিয়া বলে ঘোষণা করায় তাদেরকে দিয়ে এশিয়া কাপ সম্প্রচার করানো যাবে কি না, এ নিয়ে ভাবিত ছিলো এসিসি। তবে এসিসির সূত্রটি ক্রিকইনফোকে বলেছেন, তারা নিম্বাসের কাছ থেকে ব্যাংক গ্যারান্টির একটি কিস্তি পেয়েছেন। ফলে সংস্থাটিকে দিয়ে কাজ করাতে সমস্যা নেই। আর নিতান্ত তারা না পারলে অন্য কাউকে দায়িত্ব দেয়া হবে।
