শক্তিশালী নৌবাহিনী গঠনে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে সহায়তা দিচ্ছে

আপডেট : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২৩:০৭
বাংলাদেশ নৌ-বাহিনীর শক্তি ও সামর্থ্য বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্র আরো বেশি সহায়তা দিবে। যাতে বাংলাদেশ তার সমুদ্রসীমার নিরাপত্তা ও সামুদ্রিক সম্পদ রক্ষা করতে পারে। কথাগুলো বললেন, যুক্তরাষ্ট্রের সফররত পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের লজিস্টিক কমান্ডার রিয়ার এডমিরাল সিনথিয়া এম. টেবড। গতকাল রবিবার বিকালে গুলশানে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বাসভবনে কয়েকজন সাংবাদিকের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি। রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজীনাও এ সময়ে বক্তব্য রাখেন। রিয়ার এডমিরাল সিনথিয়া টেবড বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের নৌ-বাহিনী সমুদ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত ও প্রাকৃতিক সম্পদ সুরক্ষায় অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করবে। প্রাকৃতিক ও মানব সৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবেলা, সমুদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এই সহায়তায় মূল লক্ষ্য। বাংলাদেশ নৌ-বহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধির পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। এজন্য ‘ক্যারাট’ প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। ২০১১ সাল থেকে তৃতীয় দফা অনুরূপ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। আজ সোমবার চট্টগ্রামে এই ক্যারাট প্রশিক্ষণ শুরু হবে। রিয়ার এডমিরাল টেবড আরো বলেন, বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় অনেক ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জ আছে। সমুদ্রে অবৈধ ও বেআইনী কার্যক্রম, চুরি, ডাকাতি, পাইরেসি, অস্ত্র ও মাদক পাচার— এসব চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি বাংলাদেশ। বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্য সমুদ্র পথ দিয়ে গন্তব্যে যায়। তাই সমুদ্রসীমার নিরাপত্তা খুবই জরুরি। মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান মজীনা সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, সমুদ্র অঞ্চলে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় যৌথ উদ্যোগ নেয়া হবে। মার্কিন কোম্পানি কনকো ফিলিপস সমুদ্রের তেল অনুসন্ধান করছে। ইতিমধ্যে তৃতীয় ব্লকের জন্য চুক্তি হয়েছে বাংলাদেশের সঙ্গে। সাংবাদিকদের আরো জানানো হয়, নৌ-বাহিনী ও কোস্টগার্ডের সামর্থ্য বৃদ্ধির জন্য কারিগরি, প্রশিক্ষণ ও সরঞ্জাম সহায়তা দেয়া হচ্ছে। আগামী বৃহস্পতিবার কোস্টগার্ডের কাছে ছয়টি দ্রুতগামী নৌযান হস্তান্তর করবে যুক্তরাষ্ট্র। এছাড়া ৩৭৮ ফুট দীর্ঘ কাটার জাহাজ কয়েক মাসের মধ্যে বাংলাদেশে এসে পৌঁছবে।