বিশ্বজিত্ হত্যাকাণ্ড

সাক্ষ্য দিতে বাবার চোখের জলে ভাসল কাঠগড়া

আপডেট : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২৩:০৮
বিশ্বজিত্ দাস হত্যা মামলায় সাক্ষ্য দিতে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে হাউমাউ করে কেঁদে ফেললেন নিহতের বাবা অনন্ত চন্দ্র দাস। সংক্ষিপ্ত জবানবন্দিতে তিনি নিষ্ঠুরতম এই হত্যার বিরুদ্ধে ন্যায় বিচার চেয়েছেন। আদালতের কাছে তিনি আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন। এ সময় এজলাসের পরিবেশ ভারী হয়ে উঠে। অবতারণা ঘটে এক হূদয়বিদারক দৃশ্যের। গতকাল রবিবার এ মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য ছিল। ঢাকার ৪ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বিশ্বজিতের বাবা অনন্ত চন্দ্র হাজির হয়ে এ সাক্ষ্য দেন। এ নিয়ে এ মামলার ৬০ জন সাক্ষীর মধ্যে ৩০ জনের সাক্ষ্য শেষ হল। সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারক এবিএম নিজামুল হক সাক্ষ্য লিপিবদ্ধ করেন। আসামি পক্ষের আইনজীবীরা সাক্ষীকে জেরা করেন। জেরা শেষে এ মামলার পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আদালত ১৭ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেন। ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর এসএম রফিকুল ইসলাম জানান, বিশ্বজিতের বাবা ঢাকায় ছিলেন না। গ্রামের বাড়িতে থেকেই ছোট ছেলের মৃত্যুর খবর পান। নিহতের মরদেহ গ্রামের বাড়িতে নেয়া হলে তখন তিনি ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী সত্কারের ব্যবস্থা করেন। এসময় কারাগারে থাকা আট আসামিকে আদালতের কাঠগড়ায় হাজির করা হয়। অভিযোগপত্রভুক্ত অন্য ১৩ আসামি এখনও পলাতক রয়েছে। গত বছরের ৯ ডিসেম্বর বিএনপির অবরোধ কর্মসূচি চলাকালে পুরান ঢাকার বাহাদুরশাহ পার্কের সামনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রলীগের ক্যাডারদের হাতে খুন হন বিশ্বজিত্ দাস।