সৃজনশীল প্রশ্ন
সময় : ২ঘণ্টা পূর্ণমান ৬০
[ উদ্দীপকগুলো সতর্কতার সাথে পড়ে সংশ্লিষ্ট প্রশ্নের উত্তর করবে। প্রত্যেক প্রশ্নের মান সমান। একই প্রশ্নের উত্তরে সাধু ও চলিত ভাষা ব্যবহার করা যাবে না।
প্রত্যেক বিভাগ হতে কমপক্ষে ০১টি করে মোট ০৬টি প্রশ্নের উত্তর করবে। উত্তর প্রাসঙ্গিক হওয়া বাঞ্চনীয়]
ক-বিভাগ
১। ক. তৈলচিত্রের কোন বাংলা মাসের নাম উল্লেখ রয়েছে?
খ. নগেনের মুখ আরও বেশি ফ্যাকাশে এবং চোখ কেনো বিস্ফোরিত হয়ে গেলো? ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকের কুসংস্কারের সাথে ‘তৈলচিত্রের ভূত’ গল্পের নগেনের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের সাদৃশ্য তুলে ধরো।
ঘ. “কুসংস্কারের বিরুদ্ধে বিজ্ঞানভিত্তিক যুক্তি উপস্থাপনই উদ্দীপক ও ‘তৈলচিত্রের ভূত’ গল্পের উদ্দেশ্য”— মন্তব্যটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।
২। কুয়ার মধ্যে কাঠুরে কুড়াল হারিয়ে কান্না শুরু করলে জলপরি এসে কারণ জানতে চাইলে সে বললো আমার একমাত্র অবলম্বন কুড়াল হারিয়ে গেছে। জলপরি প্রথমে সোনার, পরে রূপার কুড়াল দেখালো কিন্তু কাঠুরে সেটি তার না জানালো। পরে লোহার কুড়াল স্বীকার করলে তাকে জরপরি তিনটি কুড়ালই দিলো। এরপর কাঠুরের হাড্ডিসার বউ এই কথা শুনে সেখানে এলো। বউ আবেগে কুয়োতে পড়ে গেলে আবার সেই কান্না কাঠুরের। এরপর সুন্দর এক পরি উঠিয়ে বললো এটি কি তোমার বউ? কাঠুরে বললো হ্যাঁ এটি আমারই বউ। জলপরি বললো তুমি লোভী! কাঠুরে বললো, না বললে তো আপনি আবার আমাকে তিনটি বউই দিয়ে দিবেন।
ক. ‘রহমতের’র বয়স ‘সুখী মানুষ’ নাটকে কত বলে উল্লেখ করা হয়েছে??
খ. ‘আমি একজন সুখী মানুষ’ লোকটির এমন কথা বলার কারণ ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকের হাস্যরস ‘সুখী মানুষ’ নাটকের কোন ঘটনার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ—ব্যাখ্যা করো।
ঘ. ‘সুখী মানুষ’ নাটিকার মোড়ল চরিত্রের যোগ্য বিপরীত প্রতিনিধি উদ্দীপকের কাঠুরেকে বলা যায় কি-না? যৌক্তিক মূল্যায়ন করো।
৩। ১৯৬৬ খ্রিস্টাব্দে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালির মুক্তি সনদ ৬ দফা ঘোষণা করেন। ১৯৬৮ খিষ্টাব্দে তাঁর বিরুদ্ধে পাকিস্তান সরকার ‘আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা’ নামে মিথ্যা মামলা জারি করে। এদেশের ছাত্র-ছাত্রী ও সাধারণ মানুষের দুর্বার আন্দোলনে ভীত পাকিস্তানি শাসকরা ষড়যন্ত্রমূলক মামলা প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়। ১৯৬৯ খ্রিষ্টাব্দের ২৩শে ফেব্রুয়ারি ছাত্র-সংগ্রাম পরিষদ রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) তাঁকে সংবর্ধনা প্রদান করে ও ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করে। এদেশের মানুষের জন্য ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠায়ও তাঁর অবদান অনন্য। ১৯৭০ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করে। কিন্তু ক্ষমতান্ধ ও স্বৈরাচারী পাকিস্তানি শাসকরা ক্ষমতা হস্তান্তর না করে ষড়যন্ত্র আঁঁটতে থাকে। ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের ৭ই মার্চ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন : ‘এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম।’
ক. ‘এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’—ভাষণে সরাসারি কতটি সালের কথা বলা হয়েছে?
খ. ‘এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’—ভাষণের প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকটি ‘এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’—ভাষণের কোন বিশেষ দিককে নির্দেশ করেছে ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকটি ও ‘এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’—ভাষণের মূল আদর্শ বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামের জয়—মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
খ বিভাগ
৪। মনোবল এমন এক জিনিস যার সাহায্যে মানুষ তার নির্দিষ্ট লক্ষ্যে অনায়াসেই পৌঁছে যেতে পারে। মহামানবদের প্রত্যেকেই লোক লজ্জার ভয়ে কোনো কাজ ফেলে রাখেন নি কারণ তারা জানতে সমালোচনা বা লোকলজ্জার ভয় মানুষকে টেনে নিচে নামিয়ে দেয় যার ফলে মানুষ তার লক্ষ্যে যেতে পারে না। তাই জীবনে বড় হওয়ার জন্যে অপরের কথার ভয়ে থেমে থাকা যাবে না। মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হলে অবশ্যই ভয়-ভীতি সংকোচ উপেক্ষা করে এগিয়ে যেতে হবে।
ক. কামিনী রায়ের জন্ম বরিশালের কোন গ্রামে?
খ. মহত্ উদ্দেশ্যে মিলিত দলের সাথে কবি মিশতে পারে না কেন?
গ. উদ্দীপকের মনোভাব ‘পাছে লোকে কিছু বলে’ কবিতার কোন দিকটির বিরোধিতা করে, ব্যাখ্যা করো।
ঘ. “মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হলে অবশ্যই ভয়-ভীতি-সংকোচ উপেক্ষা করে এগিয়ে যেতে হবে” মন্তব্যটি কীভাবে ‘পাছে লোকে কিছু বলে কবিতায় প্রতীয়মান হয়েছে বিশ্লেষণ করো।
