মেধাবী মুখ

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ১৯:৫৯
সায়মা সুলতানা ২০১৩ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় নওয়াব হাবিবুল্লাহ্ মডেল স্কুল এন্ড কলেজ গোল্ডেন জিপিএ-৫ প্রাপ্ত আমার জিপিএ-৫ পাবার পেছনে বিদ্যালয়ের পরিবেশ, শিক্ষকদের আন্তরিক চেষ্টা এবং অভিভাবকদের সঠিক তদারকি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। প্রথমেই বিদ্যালয়ের পরিবেশরে কথা বলতে গেলে মহানগরের অদূরেই অবস্থিত হওয়া সত্ত্বেও সম্পূর্ণ কোলাহলমুক্ত নিরিবিলি পরিবেশে আমাদের ক্লাশ চলে। বিশাল সবুজ মাঠ। সুবিশাল ল্যাব, আরো আছে সুবিশাল লাইব্রেরি, ভোকেশনাল শাখায় ৪টি ট্রেড এবং কম্পিউটার বেইজড প্রসেসিং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি সকলের কাছে স্বপ্ন পুরীতে পরিণত হয়েছে। অধ্যক্ষ মোঃ শাহিনুর মিয়া সূক্ষ্ম পর্যবেক্ষণশীল দৃষ্টি, নিরলস শ্রম আর কর্ম দক্ষতার কারণে আজ আমাদের এই প্রতিষ্ঠানটি উত্তরা থানার স্কুল এন্ড কলেজগুলোর মধ্যে প্রথম সারিতে আসার সুযোগ পেয়েছে। সাম্প্রতিক ফলাফলে দেখা যায় ২০১২ সালে এসএসসি পরীক্ষায় ২৯৮ জনের মধ্যে ১৬১ জন জিপিএ-৫ পেয়ে পাশ করেছে। ঐ সালেই জেএসসি পরীক্ষায় ৪৭৭ জনের মধ্যে ১২৯ জন জিপিএ-৫ পেয়ে শত ভাগ পাশ করেছে। ২০১৩ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় ২০৩ জনের মধ্যে ১০৩ জন জিপিএ-৫ পেয়ে শত ভাগ পাশ করেছে। এ ফলাফল সকলের নজর কেড়েছে। শুধু ফলাফল নয় শিক্ষার্থীদের শারীরিক, মানসিক ও নান্দনিক বিকাশের প্রতি লক্ষ্য রেখে এই প্রতিষ্ঠানে মার্জিত এবং রুচিসম্মত সাংস্কৃতিক ও বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন রেখেছেন কর্তৃপক্ষ। সবদিকে সার্বক্ষণিক অতন্দ্র প্রহরীর মত সজাগ দৃষ্টি রাখেন অধ্যক্ষ মোঃ শাহিনুর মিয়া। নওয়াব হাবিবুল্লাহ্ মডেল স্কুল এন্ড কলেজ উত্তরায় নির্মিত হয়েছে মহানগরের শিক্ষার্থীদের আর্শীবাদ হিসেবে। অত্র প্রতিষ্ঠানটি আশীর্বাদের ধারা অব্যহত থাকুক। আমি এই প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করতে পেরে খুবই গর্বিত। ১. নিয়মিত ৪/৫ ঘণ্টা নিজের মত রুটিন তৈরী করে পড়াশুনা করা। ২. টেক্সবুক থেকে A-Z পর্যন্ত নখদর্পন নেয়া কারণ সৃজনশীল ও বহুনির্বাচনীর জন্য প্রয়োজন। ৩. শিক্ষকদের সাহায্য ও সহযোগিতা গ্রহণ করা। ৪. পিতা-মাতার উপদেশ পালন করা। আমার সবচেয়ে প্রিয় শিক্ষক জনাব বুলবুল আহমেদ, জনাব মোঃ বাহাদুর হোসেন, জনাব মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন, জনাব মোঃ রকিব লিখন, দুলালী সাহা সহ আরও অনেকে আমার প্রিয় স্যার। আমার ভাল ফলাফলের পিছনে আমার পিতা-মাতা ও স্যারদের অবদান সবচেয়ে বেশি।