জাতীয় সংসদে গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২১:৪৭
ডেপুটি স্পিকার কর্নেল (অব.) শওকত আলী বলেছেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের অভাবে আমাদের গণতন্ত্র শক্তিশালী হচ্ছে না। এ বিষয়ে আমাদেরকে সতর্ক থাকতে হবে। এছাড়া অন্য সংসদ সদস্যরা বলেন, ক্ষমতা হস্তান্তরের একমাত্র সংবিধান স্বীকৃত পথই হচ্ছে নির্বাচন। যদি এর ব্যত্যয় ঘটে তাহলে গণতন্ত্র বিরোধী শক্তি খুশি হবে। আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে রবিবার জাতীয় সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে জাতীয় সংসদ ও ইউএনডিপি’র যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে এসব কথা বলা হয়। প্রধান অতিথি ডেপুটি স্পিকার বলেন, গণতন্ত্র বিকশিত করতে জনগণের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী দেশ পরিচালিত করতে হবে। হরতাল গণতান্ত্রিক অধিকার নয়। যে কর্মসূচি নাগরিকদের জন্য অশান্তি ও দুর্ভোগ বয়ে আনে সে কর্মসূচি গণতান্ত্রিক হতে পারে না। গণতন্ত্রকে গতিশীল করতে ইউনিয়ন পরিষদকে আরো শক্তিশালী করতে হবে। সংসদ সচিব মো. মাহ্ফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে বৈঠকে বক্তব্য রাখেন আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বি মিয়া, সরকারি প্রতিশ্রুতি সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মো. আলী আশরাফ, জাসদের সংসদ সদস্য মঈন উদ্দিন খান বাদল, বিরোধী দলীয় সদস্য ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, আওয়ামী লীগের আবদুল ওয়াদুদ, ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী, টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান এবং ইউএনডিপির কান্ট্রি ডিরেক্টর মিজ পলিন টেমেসিস। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিপিডির ফেলো অধ্যাপক ড. রওনক জাহান। বৈঠকে ফজলে রাব্বি মিয়া বলেন, আমাদের এমন কোন কাজ করা উচিত হবে না, যাতে অন্য কোনো অগণতান্ত্রিক অবস্থার সৃষ্টি না হয়। সিভিল সোসাইটি এবং মিডিয়ার এমন কোনো মন্তব্য করা ঠিক হবে না যাতে গণতান্ত্রিক ধারা ব্যাহত হয়। অধ্যাপক আলী আশরাফ বলেন, জনগণের ন্যায্য অধিকার গণতন্ত্রই দিতে পারে। গণতন্ত্র কোন রকম হুমকির সম্মুখীন হলে দুর্গতি আছে। এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, গত ৪২ বছরে আমরা রাজনীতিবিদরা নির্বাচন পদ্ধতি ঠিক করতে পারলাম না। এটা আমাদের জন্য লজ্জার। নির্বাচন পদ্ধতি সুনির্দিষ্ট করতে হবে। আর আগামী নির্বাচন অবশ্যই নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হতে হবে।