কচি-কাঁচার আসরের বন্ধুরা,
সবাই আমার শরতের শিউলিঝরা শুভেচ্ছা নাও। শরত্ আমাদের দেশের তৃতীয় ঋতু। শরত্ এলে আকাশ মেঘে ভরা থাকে, মেঘেরা উড়ে বেড়ায় তুলোর মত অজানার দেশে। হালকা সাদা কাশফুলগুলো নদীর ধারে শোভা পায়। শরত্কালের একটি বিশেষ দিক হলো কখনো মেঘ, কখনো বৃষ্টি। মেঘের মধ্যে রোদ থাকে উজ্জ্বল, তবু হঠাত্ কোথা থেকে কালো মেঘের দল এসে বৃষ্টি হয়ে ঝরে পড়ে। হঠাত্ করেই বৃষ্টি এসে ভিজিয়ে দেয় আমাদের। বনে বনে শিউলি, চাঁপা ফুলের ঘ্রাণ মন ভরিয়ে দেয়। পাকা তালের পিঠা তৈরি হয় ঘরে ঘরে। সবমিলিয়ে প্রতিটি ঋতু ভারি সুন্দর। তাই গল্প ও ছড়া লিখে পাঠালাম। আশাকরি, লেখা ছাপা হবে। সময় খুব কম, পড়ার ফাঁকে রাত জেগে লিখলাম। ছাপানোর অনুরোধ জানালাম।
সুমনা আক্তার মীম
সদস্য নং-১২৭৭
গোড়ান, ঢাকা-১২১৯।
প্রিয় কচি-কাঁচার বন্ধুরা, শরতের একরাশ কাশফুলের শুভেচ্ছা নিও। আশা রাখি সবাই ভালো আছো। আমিও বেশ ভালো আছি। ভালো থাকবই না কেন? বলো। জানো, শরত্ এলে আমার খুব মজা হয়। আকাশে পেঁজা তুলোর মতো উড়ে চলা মেঘ, আবার কয়লার মতো ঘন কালো মেঘ, কখনোবা নীল আকাশ দেখতে আমার খুব ভালো লাগে। ভালো লাগে গোধূলি বেলায় ফড়িং-এর মেলা দেখতে। জানো, আমাদের সবুজ খেলার মাঠে গোধূলি সময় হরেক রকমের ফড়িং উড়া-উড়ি করে। তখন আমারও ইচ্ছে হয়, যেনো ওদের মতো ডানা মেলে একবার বাংলার সবুজ মাঠ-ঘাট, বন-বনানী ঘুরে আসি। আরেকটা মজার খবর জানাচ্ছি তোমাদের। আমাদের বাড়ির পাশেই বিরাট একটা বিল আছে। ইস জানো না সে বিলে কত না পদ্ম ফুটেছে। তার সঙ্গে শাপলাও কিন্তু কম নয়। সকালবেলা একবার বিলের দিকে তাকালে সত্যি চোখ ফেরাতে ইচ্ছে হয় না। বন্ধুরা এই শরতে ভরত পাখির মতো ফুরফুরে হোক তোমাদের মন। এই কামনায় শুভেচ্ছাসহ আসরের বন্ধু—
মীর রবিউল ইসলাম রবি
সদস্য নম্বর: ১৬২৫
কচি-কাঁচার সবুজ পাঠক
অন্নদানগর, রংপুর।
বর্ষা চলে গেছে। চুয়া চুয়া পানি সবখানে। ধুয়ে-মুছে সবকিছু পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে দিয়েছে বর্ষাকাল। প্রকৃতি আজ সবুজে সবুজে সবুজাভ। নদীর কিনার দিয়ে সাদা আর সবুজ কাশবন। মৃদু বাতাসে ছলাত্ ছলাত্ ঢেউয়ে দুলে ওঠে কাশবন। শুভ্র কোমল কাশফুল ফুটেছে। দেখতে কত সুন্দর! কত মনোরম! সাদা কাশফুলে ভরা নদীর কূল। নদীর বুকে পাল তোলা নৌকা কাশবনকে আরো সুন্দর করে তুলেছে। পেঁজা তুলোর মতো নীল আকাশটা জুড়ে সাদা মেঘের ভেলার অবাধ বিচরণ সবসময়। আবার মেঘের ফাঁকে উড়ে চলে সাদা সারসের দল। কি আশ্চর্য এক প্রাণবন্ত দৃশ্য। এ শরতকাল বাংলাদেশকে আরো সৌন্দর্যমন্ডিত করে তুলেছে। ছয়টি ঋতুর মাঝে শরত্ কিন্তু আলাদা বৈশিষ্ট্য নিয়ে আমাদের প্রকৃতির মাঝে ফিরে আসে। প্রকৃতিতে যোগ করে দেয় নতুন একটি সৌন্দর্য। প্রকৃতির শীতল ছায়া হয়ে জড়িয়ে থাকুক এই শরতদিন।
জাহাঙ্গীর হোসেন বাদশাহ
সদস্য নম্বর: ১৮৮২
এনায়েতপুর, সিরাজগঞ্জ।
কচি-কাঁচার আসরের বন্ধুরা
আমি ঢাকা মহানগরীর ঐতিহ্যবাহী বশির উদ্দিন আদর্শ স্কুল এন্ড কলেজের দশম শ্রেণীর একজন ছাত্র। আমি নিয়মিতভাবে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় কচি-কাঁচার আসর পাঠ করে থাকি। যা আমার বেশ ভার লাগে। আমি আমার প্রিয় স্কুল “বশির উদ্দিন আদর্শ স্কুল এন্ড কলেজ” সম্পর্কে একটি লেখা পাঠিয়েছিলাম। ১৭.০৭.২০১৩ তারিখে কচি-কাঁচার আসরে লেখাটি প্রকাশিত হয়েছিল কিন্তু আমার ছবির পরিবর্তে অন্য একটি ছবি ছাপা হয়েছে এবং একজন সদস্যের নাম জমির হোসেনের পরিবর্তে মজির হোসেন উঠেছে। পরবর্তী কোন সংখ্যায় আমার নিজের ছবি এবং সদস্যের প্রকৃত নাম ছাপিয়ে খুশি করবেন।
আন নাজমুস সাকিব
দশম শ্রেণী
বশির উদ্দিন আদর্শ স্কুল এন্ড কলেজ
আহম্মদনগর, মিরপুর, ঢাকা।
