শরতের গল্প

আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ১৯:২০
বর্ষার ইলশেগুঁড়ি রিমঝিম বৃষ্টি শেষ হতেই ঋতুর রাণি শরত প্রকৃতিতে ঢুকে পড়েছে। আকাশ গাঢ় নীল, তাতে শুভ্র সাদা মেঘ ভেসে বেড়ায়। এ সময় শিউলি ফোটে, তাল পাকে। আর নদীর ধারে মাঠের কিনারায় কাশফুল ফোটে। রোদ, হাওয়া, নীল আকাশ, কাশফুল ইত্যাদি প্রকৃতিকে আরও সুন্দর করে তোলে। এ অপরূপ দৃশ্য পৃথিবীর কোনো দেশে নেই। শরতকালে কাশ/পাখ-পাখালির বাস। শরতে পাখিরা নতুন জীবন পায়। বাসা বানায়। ঘর বাঁধে। কিচিরমিচির শব্দে গান গায়। সেদিন বড় খালামনির গ্রামের বাড়ির নারকেল গাছে বাবুই পাখির বাসা দেখে অবাক। দুই তিনটা লম্বা পাতা একসঙ্গে জুড়ে, চিকন চিকন চেরা পাতা দিয়ে বাবুই পাখি বাসা বানায়। বাসার বুনন ভরাট। খালামনি বলেন, রাতের বেলা জোনাকী পোকা ধরে এনে ওরা বাসা আলোকিত করে। গ্রামে গাছে গাছে এখন তাল, জাম্বুরা, আমড়া আর চালতা ফল। বাড়ির উঠান, মাচা সবজিতে ভরা। মাঠে মাঠে কচি ধানের ছড়া। কৃষক বধূর মুখে হাসি। আশ্বিনের শেষ শরতে হিন্দুদের বৃহত্তম উত্সব দুর্গাপুজা। স্কুলে হিন্দু বন্ধুদের কাছ থেকে পূজার গল্প শুনি। দাওয়াত পাই। স্কুল বন্ধ থাকে। ছয়টি ঋতুর দেশ বাংলাদেশ। ঋতুর রাণি শরত তোমায় স্বাগতম। সুখ-শান্তি, সমৃদ্ধি, উত্সব ও আনন্দ নিয়ে, কাশফুলের দোলায় দুলে আবার ফিরে এসো, আমার প্রিয় বাংলাদেশে। শারতাজ এফ রহমান সাউথ পয়েন্ট স্কুল এন্ড কলেজ, সদস্য নম্বর: ৭৬৯।