প্রিয় শিক্ষার্থীরা শুভেচ্ছা জানবে, তোমাদের প্রতি অধ্যায়ের সর্বোচ্চ প্রস্তুতির জন্য আজ বিজ্ঞান বিষয়ের দ্বিতীয় অধ্যায়ের রচনামূলক প্রশ্ন ও উত্তর দেওয়া হলো।
শব্দ দূষণ
অনুশীলনীর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর
ক. শব্দ দূষণ রোধে তুমি কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পার সংক্ষেপে লেখ।
আমাদের চারপাশের পরিবেশকে আমরা নানাভাবে ব্যবহার করি। যার ফলে পরিবেশে বিভিন্ন পরিবর্তন ঘটে। এসব পরিবর্তন যখন আমাদের জন্য ক্ষতির কারণ হয় তখন তাকে পরিবেশ দূষণ বলে। পরিবেশের তিনটি অতি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো মাটি, পানি ও বায়ু।
শব্দ দূষণ: হঠাত্ উচ্চ আওয়াজ, গোলমাল বা বিভিন্ন উচ্চমাত্রার শব্দের কারণে মানুষের মানসিক ও শারীরিক সমস্যা সৃষ্টি হয়। শব্দের এ আধিক্যই শব্দদূষণ নামে পরিচিত। শব্দ বিভিন্ন ভাবে দূষণ হয়। শব্দ দূষণ রোধে আমি কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারি তা নিন্মরূপ:
শব্দ দূষণ রোধে আমার করণীয়:
শব্দ দূষণ রোধে আমি যেসব পদক্ষেপ গ্রহণ করবো তা হলো:
কোনো অনুষ্ঠানে উচ্চস্বরে গান বাজাব না।
আতশবাজি বা পটকা ফুটাবো না।
উচ্চস্বরে আওয়াজ বা গোলমাল করব না।
মাইক বাজানো থেকে বিরত থাকব।
যারা শব্দ দূষণ করে তাদেরকে এর ক্ষতিকর দিক বুঝানোর চেষ্টা করব।
অযথা কোন প্রকার শব্দ করবো না।
বিদ্যালয় ও হাসপাতালের সামনে কোন প্রকার উচ্চ মাত্রার শব্দ করবো না।
অযথা যানবাহনের হর্ণ বাজানো যেন না হয় তার জন্য জনসচেতনতা গড়ে তুলবো।
আমাদের বেঁচে থাকার জন্য পরিবেশ রক্ষা অতিগুরুত্বপূর্ণ। তাই আমাদের সকলকে পরিবেশ রক্ষা করার জন্য শব্দ দূষণ রোধে সচেতন হতে হবে।
খ. পরিবেশ সংরক্ষণের পাঁচটি উপায় লিখ।
আমাদের চারপাশের পরিবেশকে আমরা নানাভাবে ব্যবহার করি। যার ফলে পরিবেশে বিভিন্ন পরিবর্তন ঘটে। এসব পরিবর্তন যখন আমাদের জন্য ক্ষতির কারণ হয় তখন তাকে পরিবেশ দূষণ বলে। পরিবেশের তিনটি অতিগুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো মাটি, পানি ও বায়ু। পরিবেশ সংরক্ষনের জন্য জনসচেতনতার বিকল্প নেই।
পরিবেশ সংরক্ষণের উপায়:
পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য আমাদের করনীয় গুলো নিন্মে উপস্থাপন করা হলো:
১.অপরিকল্পিতভাবে বাড়িঘর ও কলকারখানা তৈরি না করা।
২. বনজঙ্গল কাটাসহ নদীনালা ভরাট বন্ধ করা।
৩. প্লাস্টিক ও পলিথিন যেখানে সেখানে না ফেলা।
৪. মরা জীবজন্তু ও জৈব আবর্জনা মাটিতে গর্ত করে মাটি চাপা দিয়ে রাখা।
৫. কলকারখানার বর্জ্য পরিশোধনের ব্যবস্থা নেওয়া।
এভাবেই পরিবেশ সংরক্ষণ করতে হবে।
