পীরগঞ্জে খাদ্য গুদাম কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মিলারদের অভিযোগ

আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২১:২৯
পীরগঞ্জ খাদ্য গুদাম কর্মকর্তার অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতিকার চেয়ে খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবরে অভিযোগ দায়ের করেছেন হাসকিং মিল মালিক সমিতি। উপজেলা হাসকিং মিল মালিক সমিতির সভাপতি মোঃ এমদাদুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক কসিরুল আলম স্বাক্ষরিত অভিযোগে জানা যায়, খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা জাকারিয়া আহাম্মেদের দুর্নীতির ও অনিয়মের কারণে চলতি বোরো মৌসুমে চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। নানা অজুহাতে খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা চাল সংগ্রহের শুরুতেই সিফা হাসকিং মিলের মালিক কশিরুল আলম, গোলাম রব্বানী ও দেলোয়ার হোসেন দুলালের কাছ থেকে মোট ৩ লাখ ১০ হাজার টাকা উেকাচ গ্রহণ করেন। এছাড়াও উপজেলার ২৮২টি মিলের কাছ থেকে ৫/১০ হাজার টাকা করে গ্রহণ করেন। টাকা না দিলে ভাল চাল খারাপ হয়ে যায়। এতে মিল মালিকগণ অতিষ্ঠ হয়ে গুদামে চাল সরবরাহে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছেন। অভিযোগে আরও জানা যায়, এই গুদামে খাদ্যশস্য মজুদ না করেই আগাম বিল প্রদান করা হচ্ছে। সমপ্রতি মুক্তার হাসকিং মিলের নামে খাদ্য গুদামে ২শ’ বস্তা চাল সরবরাহ দেখিয়ে ২ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা অগ্রণী ব্যাংক পীরগঞ্জ শাখা থেকে উত্তোলন করা হয়। পরবর্তীতে উক্ত বিলে (ডাবলু কিউ এস সি’তে) খাদ্য গুদামের কর্মকর্তা ভারপ্রাপ্ত ও উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের স্বাক্ষর জালিয়াতির ঘটনা ধরা পড়ে। এ বিষয়ে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সৈয়দ সিদ্দিকুর রহমানের কাছে মুঠোফোনে জানতে চাওয়া হলে তিনি প্রসঙ্গ এড়িয়ে বলেন, দাপ্তরিক অনেক সমস্যা রয়েছে, সমাধানের চেষ্টা চলছে।