একটা রাস্তার সুবিধা বঞ্চিত শিশু আর বিলাস বৈভবে বেড়ে ওঠা একটা মানুষের মধ্যে পার্থক্য কী?
সুবিধার বঞ্চনা ছাড়া কোনো পার্থক্য সাকিব আল হাসান দেখেন না। তাই বাংলাদেশের এই অলরাউন্ডার বলে দিলেন, ‘আমিও হয়তো ওরকম কেউ একজন হিসেবে জন্মাতে পারতাম। আমি কাওরান বাজার থেকে যখন যাই আসি, ঝুড়ির ভেতরে ওদের শুয়ে থাকতে দেখে খুব খারাপ লাগে। ওদের জন্য অবশ্যই কিছু করা দরকার।’
শুধু সাকিব নন, এই তাগিদ থেকে কাল ইউনিসেফের জাদুকর জুয়েল আইচ ও অভিনেত্রী আরফিয়া জাহান মৌসুমী।
সাকিব অনুষ্ঠান শেষে বললেন, বঞ্চিত, দুস্থ শিশুদের নিয়ে কাজ করার ইচ্ছা তার অনেকদিনের। তার স্ত্রী শিশির এই ব্যাপারে আরও অনেক বেশি উত্সাহী। এমনকি নিজের উদ্যোগেই একটা চ্যারিটি ফাউন্ডেশন গড়ার ইচ্ছাও আছে সাকিবের। তাই ইউনিসেফ থেকে যখন শিশুদের জন্য কাজ করার এই প্রস্তাব পেলেন, খুব দ্রুত রাজি হয়ে গেছেন, ‘আমি ইংল্যান্ডে থাকতে তাদের মেইল পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে রাজি হয়েছি। বাণিজ্যিকভাবে তো কতো কাজই করি। মনের টানেও কিছু কাজ করতে হয়। আমার নিজেরই একটা চ্যারিটি ফাউন্ডেশন করার ইচ্ছা আছে। আমার স্ত্রী এই ধরনের কাজে আমার থেকেও বেশি আগ্রহী।’
