সিয়াম সাধনার মাস রমজান হওয়া সত্বেও টেবিল ভরা ইফতার, ভাজা আইটেম, সেহরীতে বেশী খাবার গ্রহণের প্রবণতা আমাদের আছে। ফলে রোজার মাসে সুস্থ থাকলেও দেহের যে পরিবর্তন ঘটে তার বহি:প্রকাশ ঘটে রোজা শেষ হবার পর। যেমন ওজন বেড়ে যাওয়া, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে না থাকা, কোলেস্টেরল বেড়ে যাওয়া ইত্যাদি। একটু সচেতন হলেই ইফতার ও সেহরী আনন্দের সাথে গ্রহণ করে এসব নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। নিয়ন্ত্রণযোগ্য স্বাস্থ্য সমস্যা হচ্ছে ডায়াবেটিস। ডায়াবেটিস সমস্যায় স্বাস্থ্যকর ইফতার ও সেহরী। ইফতার:চিনি ছাড়া জাম্বুরা, তরমুজ, পাকা পেঁপে, আনারসের সরবত, জুস, সুপের চেয়ে সামান্য ঘন সবজির নরম খিচুড়ী (আলু ছাড়া), দুটি পেয়াজু, দুটি বেগুনি, আধা কাপ হালিম-যে কোন ১টি, ছোলাভাজা ১ টেবিল চামচ, দইবড়া ছোট-১টি, মৌসুমী ফল (আম, কাঠাল, ও কলা ব্যতিত) অথবা ফ্রুট ককটেল-১ পরিবেশন। রাতের খাবার: রুটি ২-৩ পিস ছোট, মিক্সড সবজি পৌণে ১ বাটি, ২ টুকরা মাছ/মাংস ছোট, এবং ঘুমানোর আগে ১ পরিবেশন ফল গ্রহণ করতে পারেন। সেহরীর খাবার :ননিতোলা ১ গ্লাস দুধের সাথে ৪ টেবিল চামচ ওটমিল/ কোয়েকার্স ওটস/ছাতু মিশিয়ে জ্বাল দিয়ে ঘন হয়ে আসলে কাস্টার্ডে ব্যবহূত ফল ছোট ছোট (যেমন-আপেল, কমলা, কামরাঙ্গা, আমড়া, আনার, মালটা, পাকা পেঁপে ইত্যাদি) করে কেটে মিশিয়ে নামিয়ে নিতে হবে। আপেল ছাড়া বাকি ফলগুলো ছোট ছোট করে কেটে রাতেই এয়ার টাইট বক্সে ফ্রিজে রেখে দেয়া যায়। সময় লাগে মাত্র ৫-৭ মিনিট। বাটির পরিমাণ = ১ বাটি = ম্যালামাইনের ছোট স্যুপের বাটির ১ বাটি। উপরে উল্লেখিত উপায়ে
রোজা পালনে যেমন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকতে ঠিক তেমনি শরীর সুস্থও থাকবে।
