আটোয়ারী উপজেলায় সার্বিক আইন শৃংখলা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। খুন, ধর্ষণ, চুরি-ডাকাতি, ছিনতাই-রাহাজানি, অপহরণ, নারী নির্যাতন, জুয়া ও মাদকসেবীর সংখ্যা বৃদ্ধিসহ সামাজিক অপরাধের সংখ্যা আশংকাজনকহারে বৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষ উদ্বেগ-উত্কণ্ঠায় দিনাতিপাত করলেও রহস্যজনক কারণে পুলিশ এ ব্যাপারে নির্বিকার দর্শকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। এদিকে এক শ্রেণির দুর্নীতিবাজ পুলিশ কর্মকর্তারা নির্দিষ্ট কিছু টাউট বাটপারের সাহায্যে আইন সহায়তা গ্রহণকারী সাধারণ মানুষের দুর্বলতাকে পুঁজি করে হয়রানিসহ অবৈধ অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। এদিকে উপজেলার বিভিন্ন সীমান্ত পথে সংশ্লিষ্ট বিজিবি সদস্যদের চোখে ধূলো দিয়ে চিহ্নিত চোরাকারবারিরা ভারত থেকে গরু, নিম্নমানের বীজ, নিম্নমানের চা-পাতা ফেন্সিডিলসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক চোরাপথে অবাধে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নিয়ে আসছে। সম্প্রতি উপজেলা সদর ও বিভিন্ন গ্রাম হতে প্রায় ১৫টি মোটর সাইকেল চুরিসহ অসংখ্য গরু চুরি, নতুনহাট-বোদা সড়কে গণডাকাতি, দু’দিন পর একই এলাকায় মধুসুদন মাষ্টারের বাড়ি থেকে মোটর সাইকেল চুরির ঘটনা ছাড়াও বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনা ঘটেছে।
চুরি-ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের সাথে জড়িত কাউকে গ্রেফতার করার খবর পাওয়া যায়নি। এদিকে রাখালদেবী, সুখাতি, তড়েয়া, রানীগঞ্জ, নুনুমন্ডলহাট, ঝলই হাট সংলগ্ন বাঁশ বাড়ি, কলেজ মোড়, কোনপাড়া ও বার আউলিয়াসহ প্রায় ১৫টি চিহ্নিত স্পটে সংশ্লিষ্ট কর্তাবাবুদের প্রত্যক্ষ মদদে পর্যায়ক্রমে জমজমাট জুয়ার আসর চলার কারণে এসকল অপরাধপ্রবণতা বেড়েই চলেছে। আটোয়ারী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সোহরাব আলী জানান, সব অপরাধের মামলা আইনগতভাবে দেখা হচ্ছে।
