উপজেলায় ডাকঘরগুলো বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে। জানা গেছে, বামনডাঙ্গা সাব-ডাকঘরের অধীনে ১৮টি এবং সুন্দরগঞ্জ উপজেলা ডাকঘরের অধীনে ১৬টি ডাকঘর রয়েছে। ডাকঘরগুলোর কার্যক্রম প্রায় বন্ধ হওয়ার পথে। বেশিরভাগ ডাকঘরে পিয়ন, পোস্ট মাস্টার, রানার নেই বললেই চলে। কোন ডাকঘরে পিয়ন, পোস্ট মাস্টার এবং রানার একাই দায়িত্ব পালন করে আসছেন। এতে জনসাধারণ ডাকঘরের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এবং এ প্রতিষ্ঠান থেকে তাদের আস্তা দিন দিন ক্ষীণ হয়ে আসছে। বিশেষ করে ইন্টারভিউ কার্ড যথাসময়ে প্রার্থীদের হাতে না পৌঁছায় অনেকেই চাকরির পরীক্ষা দিতে পারছে না। এদিকে উপজেলার কালিতলা বাজার, শোভাগঞ্জ, ধুবনী বাজার, মজুমদার বাজার, বাজার পাড়া ডাকঘর, কোথায় অবস্থিত এবং এর পিয়ন, পোস্ট মাস্টার, রানার কে তা সাধারণ মানুষ জানেন না। এইসব ডাকঘরগুলোর নির্দিষ্ট কোন অফিস নেই। অনেক ডাকঘর কোন দোকান ঘরে, পোস্ট মাস্টারের খানকা ঘরে, কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অফিসের বারান্দায়, কোন পরিত্যক্ত ইউনিয়ন কার্যালয়ের অফিসে ডাকঘরের কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। অনুসন্ধানকালে দেখা গেছে, শান্তিরাম কালিতলা শোভাগঞ্জ বাজারের ডাকঘরের পোস্ট বক্সটি একটি পরিত্যক্ত সিঁড়ির মধ্যে আটকানো, বেলকা ডাকঘরের পোস্ট বক্সটি একটি গাছের মধ্যে আটকানো রয়েছে। এমনকি সেগুলোর মধ্যে কোন প্রকার তালা লাগানো নেই।
