রাজশাহীতে সোলার চার্জিং স্টেশন

আপডেট : ১৭ মে ২০১৯, ২১:৩২

স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী

নবায়নযোগ্য জ্বালানি হতে পরিবেশবান্ধব বিকল্প বিদ্যুত্ উত্পাদনের পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে রাজশাহীতে পৃথক ‘সোলার চার্জিং স্টেশন’ এবং ‘নেটমিটারিং স্টেশন’ স্থাপন করা হয়েছে। রাজশাহী পল্লী বিদ্যুত্ সমিতি এবং স্থানীয় উদ্যোক্তার যৌথ মালিকানায় পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে এসব স্টেশন স্থাপন করা হয়েছে।

রাজশাহীর পবা উপজেলার দামকুড়াহাটে স্থাপিত দৈনিক ৭০ থেকে ৯০ কিলোওয়াট বিদ্যুত্ উত্পাদন ক্ষমতাসম্পন্ন ‘সোলার চার্জিং স্টেশন’ এবং গোদাগাড়ী উপজেলার চব্বিশনগরে স্থাপিত ৪০ থেকে ৫০ কিলোওয়াট বিদ্যুত্ উত্পাদন ক্ষমতাসম্পন্ন ‘নেটমিটারিং স্টেশনে’র সাফল্য বিদ্যুত্ খাতে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তথ্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে বুধবার বিকেলে রাজশাহী মহানগরীর দামকুড়াহাটের শফিকুল ইসলামের বাড়িতে স্থাপিত ‘সোলার চার্জিং স্টেশন’ প্রকল্প সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন তথ্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং রাজশাহীতে কর্মরত বিভিন্ন স্থানীয় ও জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সাংবাদিকরা।

দামকুড়াহাট এলাকার মো. শফিকুল ইসলামের বাসভবন ও চত্বরে স্থাপিত ওই স্টেশন থেকে প্রতিদিন গড়ে ৭০ থেকে ৯০ কিলোওয়াট/ইউনিট বিদ্যুত্ উত্পন্ন হয়। এ বিদ্যুত্ ব্যবহূত হচ্ছে প্রতিদিন গড়ে ৫/৬টি অটোরিকশার ব্যাটারি রিচার্জের কাজে।

স্থানীয় উদ্যোক্তা শফিকুল ইসলাম জানান, সোলার চার্জিং স্টেশনটি গত ২৬ জানুয়ারি চালু করা হয়েছে। তিনি ব্যাটারি রিচার্জ থেকে ফেব্রুয়ারি ও মার্চে ১৯ হাজার টাকা লভ্যাংশ পেয়েছেন।

রাজশাহী পল্লী বিদ্যুত্ সমিতির জিএম প্রকৌশলী এসএম মোজাম্মেল হক বলেন, সোলার চার্জিং স্টেশনটি নির্মাণে সরকারি তহবিল থেকে সর্বমোট ৪৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। এ প্রকল্প থেকে অর্জিত আয়ের ৫০ শতাংশ চেকের মাধ্যমে পাবেন সংশ্লিষ্ট জমির মালিক; বাকি ৪০ শতাংশ পল্লী বিদ্যুত্ সমিতি পাবে এবং অবশিষ্ট ১০ শতাংশ সোলার স্টেশন মেইনটেনেন্স বাবদ ব্যয় হবে। অটোরিকশার রিচার্জের সংখ্যা বাড়লে এ থেকে আয় পর্যায়ক্রমে বাড়বে।