থ্রিজি

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২১:৩৫
সুদীর্ঘ প্রতীক্ষা এবং নানা জটিলতা অবসানের পর অবশেষে উন্মুক্ত হলো তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তি সেবা (থ্রিজি)। এখন থেকে চারটি বেসরকারি মুঠোফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান এই সেবা চালু করতে পারবে। যদিও প্রায় এক বছর আগে থেকেই সরকারি প্রতিষ্ঠান টেলিটক এই সেবা দিয়ে আসছিল। কিন্তু পর্যাপ্ত অবকাঠামোগত সমস্যার কারণে সেই সেবা পৌঁছায়নি প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায়। উপমহাদেশের অনেক স্থানেই বহু আগে থেকেই থ্রিজি সেবা চালু আছে। এমনকি কোনো কোনো দেশে ফোরজি সুবিধাও চালু রয়েছে। বর্তমানে প্রচলিত টুজিতে জোর দেয়া হয়েছিল ভয়েস আদান-প্রদানে। কিন্তু থ্রিজিতে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে সংক্ষিপ্ত সময়ে তথ্য পরিবহনে। ফলে পাওয়া যাবে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সুবিধা। যার ফলে সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে শিক্ষা ও সেবাখাত। যা সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজন। তাই সরকারের উচিত সাধারণ গ্রাহক বিশেষ করে শিক্ষার্থীরা যেন কম খরচে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সুবিধা পেতে পারে তার ব্যবস্থা করা এবং থ্রিজি ব্যবহারের ব্যয় যেন মানুষের নাগালের মধ্যে থাকে তার নিশ্চয়তা প্রদান করা। তারেক আজিজ, শিক্ষার্থী, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ