‘অধিনায়ক’ গেইলে মুগ্ধ লারা

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২১:৪৮
ব্রায়ান লারা ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লীগ (সিপিএল) টি-টোয়েন্টিতে ক্রিস গেইলের অধিনায়কত্ব দেখে এতটাই অভিভূত হয়েছেন যে, আবারো ওয়েস্ট ইন্ডিজের নেতৃত্বে গেইলকে দেখতে চান তিনি। গতমাসে শেষ হওয়া সিপিএলের উদ্বোধনী আসরে চ্যাম্পিয়ন হয় গেইলের নেতৃত্বাধীন জ্যামাইকা তালাহওয়াস। সর্বকালের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান হিসেবে বিবেচিত লারা বলেন, ‘আমি শুধু যা বলতে পারি তা হলো শিরোপা জয়ী তালাওয়াশের অধিনায়ক হিসাবে সে আমার যথেষ্ট সম্মান অর্জন করেছে।’ গেইলের মধ্যে একজন প্রকৃত অধিনায়কের ছাপ খুঁজে পাচ্ছেন লারা, ‘যেভাবে সে দলের নেতৃত্ব দিয়েছে, আমি নিশ্চিত যে দলের আর কেউ এমনভাবে পারত না। তার উপর যে চাপ পড়েছে এবং সেটা সে যেভাবে সামলে নিয়েছে তা ছিল সত্যিই অসাধারণ এবং এটাই একজন ব্যক্তির যোগ্যতা সম্পর্কে বলে দেয়।’ জ্যামাইকার অধিনায়ক হিসেবে গেইলের যে ভূমিকা ছিল, সেটা নিশ্চিতভাবেই জাতীয় দলেও কাজে লাগানো যাবে বলে মনে করছেন প্রথম শ্রেণী এবং টেস্ট ক্রিকেটে সর্বোচ্চ দুটি ইনিংসের মালিক লারা। ত্রিনিদাদের বরপুত্র বলেন, ‘অধিনায়ক হিসাবে টি-২০ টুর্নামেন্টে জ্যামাইকার দলে যেভাবে অবদান রেখেছে ঠিক একইভাবে ওয়েষ্ট ইন্ডিজ ওয়ানডে দলেও সে অবদান রাখবে বলে আশা করছি।’ তবে দলে ভূমিকা রাখতে হলে যে অধিনায়কই হতে হবে এমনটা মোটেই মনে করেন না লারা। বরং একজন সাধারণ খেলোয়াড় হয়েও অভিজ্ঞতা আর পারফরম্যান্সে দলে রাখা বড় প্রভাব। লারা বলেন, ‘আপনাকে একজন নেতা কিংবা একটা দলের অধিনায়কত্ব করতে হবেই এমন কোন কথা নেই। কিন্তু দলের একজন সিনিয়র খেলোয়াড় হিসাবে পুরো দলের পারফরম্যান্সেই আপনার খুব বড় একটা প্রভাব থাকবে।’ বিভিন্ন ভার্সনে ওয়েষ্ট ইন্ডিজ দলে ভিন্ন ভিন্ন অধিনায়ক করার ক্ষেত্রে কিছু সীমাবদ্ধতার কথাও জানা লারার। এ বিষয়টি বর্তমান সময়ে একটা বিতর্কের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে এটিকে মোটেই ‘সঠিক অবস্থা’ ভাবতে পারছেন না এই বাঁহাতি। লারা বলেন, ‘বর্তমান সময়ে যদি অবস্থা এমনই হয়, তবে কিছু করার নেই। কিন্তু আদর্শগতভাবে আপনি এমন একজনকে চাইবেন যে তিন ফরমেটেই নেতৃত্ব দিতে পারে।’ উল্লেখ্য, ড্যারেন সামি বর্তমানে ক্যারিবিয় টেস্ট ও টি-২০ দলের অধিনায়কত্ব করছেন। আর চলতি বছরের প্রথম দিকে সামির কাছ থেকে ওয়ানডে দলের নেতৃত্ব নেন ডোয়াইন ব্রাভো।