সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরী ও বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত কানাডিয়ান নাগরিক জুলফিকার আলী ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে কানাডার আদালত। এরই মধ্যে এসএনসি-লাভালিনের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট কেভিন ওয়ালেসকে গ্রেফতার করার পর বুধবার নিয়মিত হাজিরা দেয়ার শর্তে তাকে ছেড়ে দেয় কানাডার পুলিশ। অন্যদিকে কানাডার সিবিসি নিউজ এক প্রতিবেদনে বলেছে, এ দুর্নীতিতে দু’জন বিদেশী অভিযুক্ত হয়েছেন। তার মধ্যে আবুল হাসান চৌধুরী অন্যতম। তিনি বাংলাদেশ সরকারের সাবেক একজন কর্মকর্তা ও ক্ষমতাসীন দলের ঘনিষ্ঠ প্রভাবশালী লবিস্ট। বিশ্ব ব্যাংক পদ্মা সেতু দুর্নীতি নিয়ে বাংলাদেশকে যে চিঠি দিয়েছিল তাতে তার নাম রয়েছে। বলা হয়েছে, পদ্মা সেতু দুর্নীতির ঘুষের ভাগ তিনিও পেয়ে থাকতে পারেন। ওদিকে বুধবারই সিবিসি আবুল হাসান চৌধুরীর সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগ করে। এ সময় তিনি বলেন, কানাডা কর্তৃপক্ষ তাকে অভিযুক্ত করেছেন এমন কোন তথ্য তার কাছে নেই।
কানাডা থেকে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বুধবারই রয়্যাল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশ (আরসিএমপি) আবুল হাসান চৌধুরী ছাড়াও কানাডার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এসএনসি-লাভালিনের সাবেক কর্মকর্তা কেভিন ওয়ালস, রমেশ শাহ, মোহাম্মদ ইসমাইল এবং কানাডীয় নাগরিক জুলফিকার আলী ভূঁইয়াকে অভিযুক্ত করে। আরসিএমপি এক বিবৃতিতে জানায়, পদ্মা সেতু নির্মাণে পরামর্শ ও তদারকির কাজ পেতে ঘুষ লেনদেনের বিষয়টি তদন্ত করেই এদের অভিযুক্ত করা হয়েছে।
