আড়াই বছর আগে বর্তমান সরকারের সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৩ কি.মি. দীর্ঘ ফেলানী সড়ক কার্পেটিং করার প্রতিশ্রুতি দিলেও আজও বাস্তবায়ন হয়নি। উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে একাধিকবার ফেলানী সড়কের প্রস্তাবপত্র ও বাজেট পাঠানো হলেও পাওয়া যায়নি অনুমোদন। ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি কুড়িগ্রামের অনন্তপুর সীমান্তে বিএসএফ-এর গুলিতে নিহত হয় ফেলানী। এক মাস পর ৬ ফেব্রুয়ারি তত্কালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন নাগেশ্বরীর কলোটারী ফেলানীর বাড়িতে এসে তার বাবা নুরুল ইসলামকে তিন লাখ টাকা প্রদান করেন। সে সময় এলাকাবাসীর দাবির প্রেক্ষিতে ‘ফেলানী মোড়’ থেকে তার বাড়ি পর্যন্ত তিন কিলোমিটার সড়ক পাকা করার প্রতিশ্রুতি দেন। এরপর চলে গেছে ২ বছর ৭ মাস। এ বছরের ১৩ আগস্ট কোচবিহার জেলার বিএসএফ’র জেনারেল সিকিউরিটি ফোর্স কোর্টে ফেলানী হত্যা মামলার কার্যক্রম শুরু হয়। ওই আদালত গত ৫ সেপ্টেম্বর মামলার আসামি বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষকে বেকসুর খালাসের রায় দিলে সারা বিশ্বের প্রতিবাদের প্রেক্ষিতে মামলার পুনঃবিবেচনার আশ্বাস দিয়েছে ওই আদালত।
