নিজ গোষ্ঠীর মধ্যে প্রেম করে বিয়ের চরম মূল্য দিতে হলো ভারতের হরিয়ানার দুই প্রেমিক যুগলকে। পরিবারের কেউ মারা গেলে যেখানে সবাই দুঃখে কাতর থাকে সেখানে নিজ সন্তানকে নিজ হাতে হত্যা করেও কোনো দুঃখ নেই বাবার! সমাজের মানুষগুলোও বলছে এই মৃত্যু তাদের প্রাপ্য ছিল! এটা সম্ভব যখন এই অত্যাধুনিক যুগেও ‘সম্মানের জন্য হত্যা’র মতো নিষ্ঠুর প্রথা সমাজে বিদ্যমান থাকে।
ভারতের হরিয়ানার রোহটাক গ্রামের বাসিন্দা নিধি বরাক (২০) এবং ধর্মেন্দ্র বরাককে (২২) বৃহস্পতিবার ভালবাসার মূল্য দিতে হয়েছিল জীবন দিয়ে। তাদের অপরাধ ছিল তারা পালিয়ে বিয়ে করেন এবং একই গোষ্ঠীর! নিধির বাবাই তাকে নিজ হাতে হত্যা করেন।সেই বাবা পুলিশকে বলেছেন, আমার এতে কোনো দু:খ নেই। আমি পারলে আরো মারতাম! ধর্মেন্দ্রের হাত-পা ভেঙ্গে মাথা থেকে শরীর আলাদা করার পরেও ক্ষোভ মেটেনি মেয়েটির বাবার! অথচ সেই ধর্মেন্দ্রের পরিবারেও কোনো বিলাপ নেই। বরং সবাই স্বাভাবিকভাবে কাজ করছেন! এমনকি নিজ ছেলেকে হত্যা করলেও নিধির পরিবারের বিরুদ্ধে থানায় একটা সাধারন ডায়েরি পর্যন্ত করেনি ধর্মেন্দ্রর বাবা। বরং তার ভাই উল্টো প্রশ্ন করছে, কোথাও কি লেখা আছে, ভাই-বোন বিয়ে করতে পারে? রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীও এই হত্যার সামান্যতম নিন্দাও জানাননি। -এনডিটিভিত্
