ডোমারে পিডিবির ফাটা তারে অবৈধ সংযোগ নেয়ার হিড়িক

আপডেট : ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২১:৪৪
ন্যাকেট কিংবা ফাটা তার আর বাঁশের খুটিতে বিদ্যুত্ সংযোগ নেয়ার হিড়িক পরেছে নীলফামারীর ডোমার উপজেলার বিভিন্ন গ্রামাঞ্চলে। ডোমার উপজেলার আন্ধারুর মোড় হতে জোড়পাকুড়ি আনিসুরের বাড়ী, নওদাবাস এলাকার জাকির হোসেনের বাড়ী পর্যন্ত, চিলাহাটি কামারপাড়া হতে চকিদারের মোড় পযন্ত ৩ কিলোমিটার, উপজেলা চেয়ারম্যানের ডিপ হতে কেতকীবাড়ী হিন্দুপাড়া মন্দির পর্যন্ত ২ কিলোমিটার, বেড়গাড়ী আরবান প্রজেক্টের নতুন লাইন এর ২০০ কেভি ট্রান্সফর্মার হতে রহিমের বাড়ী পর্যন্ত প্রায় ২ কিলোমিটার, বসুনিয়ার হাট হতে সোনাহার ডাঙ্গীপাড়া পর্যন্ত ছেড়া-ফাটা ন্যাকেট তারে লাইন স্থাপন করা হয়েছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ডি-১২ তার দিয়ে চলছে হরদম সংযোগ। আর এ তারেই অবৈধ সংযোগ দিয়েই দুহাতে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন বিদ্যুত্ বিভাগের অসাধু কর্মীরা। এর ফলে বিদ্যুত্ বিভাগ যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তেমনি দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির ঘটনাও বেড়ে চলেছে। ডোমারে কতজন বিদ্যুত্ গ্রাহক রয়েছে কিংবা কি পরিমাণ বিদ্যুত্ প্রয়োজন তার কোন পরিসংখ্যান নেই বিদ্যুত্ বিভাগের কাছে। সবকিছুই চলছে ডোমার বিদ্যুত্ বিভাগের কতিপয় অসাধু কর্মচারীর ইচ্ছায়। বাঁশের খুটিতে নয়া বিদ্যুত্ লাইনে সামান্য ঝড় বৃষ্টিতেই দুর্ঘটনা ঘটছে। ভোল্টেজ বাড়া-কমার কারণে টান্সফর্মার, মটর, টিভি, ফ্রিজসহ ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ার অভিযোগ করেছেন ডোমারের বিদ্যুত্ গ্রাহকরা। ডোমার আবাসিক প্রকৌশলী মনোরঞ্জন রায় বলেন, ন্যাকেট তারের সংযোগ বিষয়ে কিছু জানা নেই।