গাইবান্ধা সাদুল্লাপুরে সুইপারের দেয়া ইনজেকশনে রহিমা বেগম (২৬) নামে এক গর্ভবতী রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় শুক্রবার ৩ সদস্যর তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির প্রধান হল জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এস এম এ জলিল। অন্য দুই সদস্য হল গাইবান্ধা আধুনিক হাসপাতালের আবাসিক চিকিত্ক ডা.আবু হানিফ ও গাইনী কনসালটেন্ট রাশেদা আশা। উল্লেখ্য, উপজেলার খোর্দ্দপাটানোছা গ্রামের রফিক মিয়ার গর্ভবতী স্ত্রী রহিমা বেগম বুধবার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়।
বিকেল ৩টা পর্যন্ত কোন চিকিত্সক তাকে ব্যবস্থাপত্র দেননি। অবস্থার অবনতি হলে রহিমার আত্মীয়-স্বজন কান্নাকাটি শুরু করে। এসময় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নন্দরানী নামে এক সুইপার রহিমাকে একটি ইনজেকশন দেয়। এর কিছুক্ষণ পরে তিনি মারা যান। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে ওই রোগীর স্বজন ও স্থানীয় লোকজন বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠে। তারা ওইদিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে আবাসিক চিকিত্সক ডা. মোমিনুল ইসলাম ও সেবিকা আনোয়ারা বেগমকে অফিস থেকে টেনেহিঁচড়ে কমপ্লেক্সের মাঠে বের করে এনে মারপিট করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
