লক্ষ্মীপুরে কৃষি জমির পাশে কিংবা বাড়ির আঙ্গিনায় গাছ রোপন করে উত্পাদন হচ্ছে শত কোটি টাকার নারিকেল। উত্পাদিত পণ্যের বাজার দর ভালো থাকায় নারিকেল চাষে আগ্রহ বাড়ছে এখানকার মানুষের। নারিকেলকে ঘিরে হাতছানি দিচ্ছে নতুন অর্থনৈতিক ব্যবস্থার। সরকারি বেসরকারি উদ্যক্তরা এগিয়ে আসলে এ পণ্য দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখার পাশাপাশি এলাকার বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা লক্ষ্মীপুর জেলা কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তর সুত্র জানায়, জেলায় প্রতি বছর প্রায় ১২/১৫ কোটি নারিকেল উত্পাদন হয়। যার বাজার মূল্য শত কোটি টাকার চেয়েও বেশি। জেলায় সব চাইতে বড় হাট মেলে সদর উপজেলার দালাল বাজারে। এখান থেকে জেলাবাসীর চাহিদা মিটিয়ে নারিকেল যাচ্ছে ঢাকা- চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল এমনকি বিদেশেও। আর নারিকেল বেচাকেনা ও ছোবলা বের করার কাজে প্রায় শতাধিক নারী-পুরুষের কর্ম সংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে। নারিকেলের ছোবড়াও বিক্রি হচ্ছে ভালো দামে। যা দিয়ে তৈরী হচ্ছে জাজিম, পাপস ওয়ালমেটসহ অনেক পণ্য সামগ্রী। স্থানীয়রা জানান, জেলার সব চেয়ে বড় আড়ত দালাল বাজারে নারিকেল ভিত্তিক শিল্প কারখানা গড়ে উঠলে এলাকার উন্নয়নের সাথে বেকার যুবকদের কর্ম সংস্থানের সুযোগ ও দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখবে লক্ষ্মীপুরে উত্পাদিত নারিকেল। নারকেলের মতোই লক্ষ্মীপুরে বাণিজ্যিকভাবে উত্পাদন হচ্ছে সুপারি। এ অঞ্চলের সুপারির মান ভালো হওয়ায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এর চাহিদা ব্যাপক। লক্ষ্মীপুর জেলা কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, জেলায় প্রতিবছর ৫ হাজার ৫৪০ হেক্টর ভূমিতে সুপারি চাষ হয়। যার বাজার মুল্য শত কোটি টাকা চেয়েও বেশি। প্রতি ক্রাউন সুপারী ১২/১৬শ’ টাকায় বিক্রি হয়। জেলায় সব চাইতে বেশি সুপারি উত্পাদন হয় রায়পুর এলাকায়।
সুপারি বিক্রির বাজার বসে রায়পুর, হায়দরগঞ্জ, দালাল বাজার, লক্ষ্মীপুর, মান্দারী বাজারে। এ জেলার উত্পাদিত সুপারি যাচ্ছে ঢাকা-চট্রগ্রাম, রংপুরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল ছাড়িয়ে বিদেশেও।
