গ্রামীণ ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে আসছে

আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২২:১৩
গ্রামীণ ব্যাংককে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। গতকাল রবিবার সচিবালয়ে ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান। তিনি আরো জানান, ৩০ সেপ্টেম্বর গ্রামীণ ব্যাংক কমিশনের প্রতিবেদন পাওয়া যাবে। ওই প্রতিবেদনে কি আছে তা তিনি জানেন এবং সেই অনুযায়ী গ্রামীণ ব্যাংক বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার প্রস্তুতিও নেয়া হচ্ছে। অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে বলেন, গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে (জুরিসডিকশনে) আসবে। একে ব্যাংক কোম্পানি আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। শেয়ার বণ্টন যেভাবে আছে সেভাবেই থাকবে। ২৫ শতাংশ থাকবে সরকারের কাছে আর ৭৫ শতাংশ থাকবে গ্রামীণ ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডারদের কাছে। এ ছাড়া গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পরিষদের সরকারি সদস্য ৩ জনই থাকবে। এর বাইরে গ্রামীণ ব্যাংকে বড় ধরনের কোন পরিবর্তন হবে না। গ্রামীণ ব্যাংক কমিশন তাদের প্রতিবেদন কবে দেবে জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘চলতি মাসের শেষে পাব । প্রতিবেদনে কি আছে তা নিয়ে তাদের সঙ্গে কম-বেশি আলোচনা হয়েছে। প্রতিবেদনে যা আছে তা আপনাদের আগেই বলেছি’ উল্লেখ করেন তিনি। ১৯৮৩ সালে একটি সামরিক অধ্যাদেশের মাধ্যমে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়। তারপর থেকেই ড. মুহাম্মদ ইউনূস ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। ২০১১ সালে অবসরের বয়সসীমা পেরিয়ে যাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে তার এমডি পদে থাকা নিয়ে প্রশ্ন তোলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ওই বছর মার্চে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ড. ইউনূসকে অব্যাহতি দেয়ার পর থেকে ওই পদটি ফাঁকা রয়েছে। এ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, যেটা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন সেটা ইউনূস সাহেব আটকে রেখেছেন বা উনার সমর্থকরা আটকে রেখেছেন, সেটা হল, হাইকোর্টে যেয়ে তারা একটা স্থগিতাদেশ নিয়ে বসে আছেন। এর কারণ হলো এমডি নিয়োগের জন্য যে সার্চ কমিটি গঠন করা হয়েছিল সেটি যাতে কাজ করতে না পারে। তাই গ্রামীণ ব্যাংকে ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) নিয়োগ করা যাচ্ছে না।