যোগাযোগমন্ত্রী সমীপে

আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২০:৫০
নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী চৌরাস্তা থেকে পূর্বদিকে ছাতারপাইয়া, কানকিরহাট, গাজীরহাট, রাজাপুরবাজার, বিরোলী ব্রিজ হয়ে ফেনীর তেমুহনী তথা মহিপাল পর্যন্ত ফেনী-সোনাইমুড়ী সড়কটি অত্যন্ত জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক। প্রায় ৩০ কিলোমিটার দীর্ঘ সওজ নোয়াখালী ও ফেনীর আওতাধীন সড়কটিকে জাতীয় মহাসড়কে রূপান্তরকরণ অনিবার্য হয়ে পড়েছে। উক্ত সড়কটির দুইপাশে তিন ফুট করে ছয় ফুট প্রশস্ত করা হলে এবং ছাতারপাইয়া বাজারে পশ্চিমপাশের সরু বেইলি ব্রিজটি স্থায়ীভাবে নির্মাণ করা হলে ওই সড়কে বাস, ট্রাকসহ সবধরনের যানবাহন অতি সহজেই চলাচল করতে পারবে বলে নোয়াখালীর সুধীজন মনে করেন। আর ওই সড়কটি দিয়ে খুব সহজে ফেনী থেকে সোনাইমুড়ী হয়ে রামগঞ্জ, হাজীগঞ্জ হয়ে দাউদকান্দি জাতীয় মহাসড়কে পৌঁছা যাবে বিধায় সেই সড়ক ঢাকা-চট্টগ্রাম যাতায়াতের বিকল্প সড়ক হিসাবে ব্যবহার করা যাবে। তাছাড়া নোয়াখালীর চৌমুহনী বাজারের তীব্র যানজটের কারণে ফেনী-সোনাইমুড়ী সড়ক দিয়ে খুব সহজে মাইজদী, লক্ষ্মীপুর, বরিশাল কিংবা লাকসামে যাতায়াত করা সম্ভব হবে। সুতরাং এত বড় সুবিধাসম্পন্ন একটি সড়ককে অবহেলা করে ফেলে রাখা ঠিক হচ্ছে না। মাননীয় যোগাযোগমন্ত্রী ওই ফেনী-সোনাইমুড়ী সড়কটি পরিদর্শন করলেই বাস্তব অবস্থা অনুধাবন করতে পারবেন এবং সেজন্য যোগাযোগমন্ত্রীকে সবিনয়ে অনুরোধ জানাচ্ছি, যোগাযোগমন্ত্রীর নিজ জেলার ওই সড়কটি পরিদর্শন করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য। ফেনী-সোনাইমুড়ী সড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের জন্য কানকিরহাট নামারবাজারের এলাকায় একটি পূর্ণাঙ্গ পুলিশ থানা স্থাপন যথোপযুক্ত বলে এলাকার বিজ্ঞজন মনে করেন। এই অবস্থায় ফেনী-সোনাইমুড়ী সড়কটির উন্নয়ন করে সড়কটিকে জাতীয় মহাসড়কে রূপান্তরের ব্যবস্থা নিতে যোগাযোগমন্ত্রী মহোদয়ের কাছে আকুল আবেদন জানাচ্ছি। এ এস জামশেদ, সোনাইমুড়ী, নোয়াখালী