ঝিনাইদহ শহর বিলবোর্ড আর বহুরঙ্গা পোস্টারে ছেয়ে যাচ্ছে। আওয়ামী লীগ নেতাদের মধ্যে বিলবোর্ড এবং বহুরঙ্গা পোস্টার লাগানোর প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে গেছে। ৫ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঝিনাইদহ সফরে আসছেন। এ খবর প্রচার হওয়ার পর আগামী নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীরা প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে বিলবোর্ড ও পোষ্টার লাগাচ্ছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।
পাশাপাশি বিএনপি নেতাদের বিলবোর্ড ও পোস্টারও নজরে পড়েছে। শহরের কেন্দ্রস্থল পোষ্ট অফিস মোড়, পায়রা চত্বর, আরাপপুর, হামদো, চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকা ও এইচ এস এস রোড এলাকার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বিলবোর্ড ও সাইনবোর্ড দখল করে সেখানে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের বিলবোর্ড ও ডিজিটাল সাইনবোর্ড ঝুলানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠছে। ব্যবসায়ীদের কথা এতে তাদের ব্যবসায়ী প্রচারণার ক্ষতি হচ্ছে।
বিলবোর্ড টাঙ্গানোতে শীর্ষে রয়েছেন সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জে কে এম আব্দুর রশিদ। তার বিলবোর্ড শহর জুড়ে শোভা পাচ্ছে। সদর উপজেলা চেয়ারম্যান কনক কান্তি দাসও পিছিয়ে নেই। শহরের বিভিন্ন স্থানে তার বিলবোর্ড ও ডিজিটাল পোষ্টার রয়েছে। জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মত্স্য ও প্রাণী সম্পদ প্রতিমন্ত্রী আব্দুল হাই এরও বড় সাইজের বিলবোর্ড রয়েছে।
এ ছাড়াও ছাত্রলীগ, যুবলীগ, শ্রমিক লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের প্রচারণার বোর্ড ও ব্যানার রয়েছে। পৌর মেয়র সাইদুল করিম মিন্টুর বিলবোর্ড ও প্রচারণা বোর্ড রয়েছে। জাতীয় পার্টির ঝিনাইদহ জেলা আহবায়ক হারুন অর রশিদের বহুরঙ্গা পোস্টারে শহর ভরে গেছে। বিএনপি’র অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীদের ডিজিটাল প্রচারণা বোর্ড রয়েছে। তবে তা তুলনামূলকভাবে অনেক কম।
