আক্রান্ত হচ্ছে যুব সমাজ মাদকে ভাসছে নাঙ্গলকোট

আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২২:১২
নাঙ্গলকোট উপজেলার যুব সমাজ থেকে শুরু করে উঠতি বয়সের তরুণরা মাদকাসক্ত হয়ে নষ্ট করে দিচ্ছে নিজের ভবিষ্যত্। শুধু যুব সমাজ নয় স্কুল-কলেজ পড়ুয়া ছেলেরাও নানা ধরনের নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ছে। এসব নেশার টাকা যোগাড় করতে জড়িত হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে। উপজেলার বিভিন্ন ওষুধের দোকান এবং হোমিওপ্যাথিক দোকান থেকে বিভিন্ন ধরনের নেশা জাতীয় দ্রব্য কিনে আসক্তরা ব্যবহার করছে। পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে নেশা জাতীয় দ্রব্য অবাধে আসার ফলে এ উপজেলায় গাঁজা, ফেনসিডিল, ইয়াবা ও হিরোইনের মত নেশাদ্রব্য পাওয়া যাচ্ছে হাতের নাগালে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ভারত থেকে অবৈধ পথে আসা মাদকদ্রব্য নিরাপদ রুট হিসাবে নাঙ্গলকোটের বিভিন্ন সড়ক ব্যবহার করা হয়। পুলিশ প্রশাসনের সাথে গোপন চুক্তির ভিত্তিতে এসব মাদকদ্রব্য বহন করে নোয়াখালীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। তাছাড়া উপজেলার যেসব এলাকায় মাদকের বাজার হিসাবে পরিচিত সেগুলো হচ্ছে, দৌলখাড় বাজার, বটতলী বাজার, ঢালুয়া বাজার, শিহর চিওড়া বাজার, ঝাঁটিয়া বাজার, নাঙ্গলকোট বাজার, বাঙ্গড্ডা পশ্চিম বাজার সিএনজি স্ট্যান্ড, বাঙ্গড্ডা দীঘির পাড়. বাঙ্গড্ডা গান্ধাচী মোড়, বক্সগঞ্জ বাজার, মিয়ার বাজার, সাতবাড়ীয় বাজার, মৌকারা সরকার বাজার মোড়, মৌকারা মধ্যপাড়া, বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। মাঝে-মধ্যে এসব স্পট থেকে পুলিশ হানা দিয়ে মাদক পাচারকারীদের ধরে এনে দুর্বল ধারায় কোর্টে চালান দিলে সহজেই মাদক ব্যবসায়ীরা জামিন পেয়ে যায়। জামিনে এসে আবারও তারা মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ে। ঢালুয়া ইউপি চেয়ারম্যান নাজমুল হাসান বাছির ভুইয়া বলেন, মাদকের ব্যবহার যে হারে বাড়ছে এনিয়ে এখনি কোন প্রদক্ষেপ নেয়া না হলে ভবিষ্যতে নব প্রজন্ম অন্ধকারে হারিয়ে ফেলবে। মাদক দ্রব্য পাচার ও সেবন বন্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ জরুরী ভিক্তিতে হস্তক্ষেপ না নিলে এর ভয়াবহতা আরো বেড়ে যাবে বলে এলাকার সচেতন জনসমাজ মনে করেন।