দেশের বিভিন্ন স্থানে পৃথক ঘটনায় সাতজনের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে।-খবর ইত্তেফাক প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের।
বগুড়া
বগুড়া শাজাহানপুর উপজেলার বেজোড়া এলাকা থেকে গত রবিবার জাহিদ হাসান জয় নামে এক কলেজ ছাত্রকে হত্যা করে লাশ ফেলে রেখেছে দুর্বৃত্তরা। রাতে ঐ স্থান থেকে লাশটি উদ্ধার করেছে পুলিশ। সে বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজের একাদশ মানবিক বিভাগের ছাত্র। তার বাড়ি নওগাঁ জেলার রানীনগর উপজেলার দুধিয়া গ্রামে। বগুড়ার সহকারী পুলিশ সুপার গাজিউর রহমান বলেন, তাকে গলায় ফাঁস লাগিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার)
কমলগঞ্জ উপজেলার শমশেরনগর-ভানুগাছ রেলওয়ে স্টেশনের মাঝামাঝি গোবিন্দপুর গ্রামে গত রবিবার ভোরে ট্রেনে কাটা পড়ে লাকী (১৬) নামে একজনের মৃত্যু হয়। সে আব্দুল মালিকের মেয়ে। মানসিকভাবে অসুস্থ ছিল সে। মেয়েটি ঐদিন ফজরের নামায শেষে কোরআন তেলাওয়াত করে ঘর থেকে বের হয়। কিছুক্ষণ পর বাড়ির পাশে রেল লাইনে তার লাশ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা)
দামুড়হুদার গোবিন্দহুদা গ্রামে গত রবিবার সকালে সাপের কামড়ে আব্দুস সালাম (৩২) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়। ঐদিন সে বেলেপোতা মাঠে ধান কাটতে গেলে তাকে সাপে কামড় দেয়। পরে উজিরপুর গ্রামের সাপুড়ে কবিরাজ শ্বশুর এলাহীর বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হলে ৪/৫ ঘণ্টা ঝাড়-ফুঁকসহ বিভিন্ন কবিরাজি চিকিত্সা দেয়া হয়। রাতে তাকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিত্সাধীন অবস্থায় সে মারা যায়।
কালকিনি (মাদারীপুর)
কালকিনির দক্ষিণ রাজদী গ্রামে গতকাল সোমবার ভোরে আনিচ মোল্লা (৪০) নামে একব্যক্তি কীটনাশক পানে আত্মহত্যা করে। জানা যায়, প্রতিবেশী এক গৃহবধূর পরকীয়া সম্পর্কে স্ত্রী বাধা দেয়ায় সে আত্মহত্যা করে। অসুস্থ অবস্থায় জেলা সদর হাসপাতালে নেয়ার পথে তিনি মারা যান।
হোসেনপুর (কিশোরগঞ্জ)
হোসেনপুর উপজেলার হারেঞ্জা গ্রামে বিদ্যুত্স্পৃষ্টে সাইদুল ইসলামের পুুত্র মো.রাসেল মিয়া (২০) এক নির্মাণ শ্রমিকের ঢাকা পিজি হাসপাতালে চিকিত্সাধীন অবস্থায় মারা যায়। সে গত শনিবার ঢাকার ধানমন্ডি এলাকায় মিস্ত্রির কাজ করার সময় বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে গুরুতর আহত হয়।
শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার)
শ্রীমঙ্গলে রবিবার রাতে পৃথক ঘটনায় দু’জন খুন হয়েছেন। উপজেলার আঐ গ্রামের শাহেদ আল আমীনকে (২৬) একই গ্রামের আরজু মিয়া রাতে দা দিয়ে আঘাত করলে সে মারা যায়। ওই রাতেই নিহতের পিতা বাদী হয়ে তিনজনকে আসামি করে মামলা করেন। অপর ঘটনায় একইদিন রাতে শহরের দ্বারিকাপাল মহিলা কলেজের নৈশপ্রহরী দক্ষিণ উত্তরসুর গ্রামের কনক লাল দাস (৪৫) ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মারা যায়। আশংকাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে সিলেট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। নিহতের ছেলে কৌশিক দাস বাদী হয়ে শ্রীমঙ্গল থানায় মামলা করেন।
