ভালুকায় গত এক সপ্তাহে ২ জনসহ ৩ মাসে পারিবারিক কলহ ও জমি সংক্রান্ত বিরোধে স্বামী-স্ত্রীসহ অন্তত ১০ জন খুন হয়েছেন। এছাড়াও এলাকায় চুরি, ডাকাতির চেষ্টা, অপহরণ, ধর্ষণ, মাদক ব্যবসা, জুয়া-হাউজিসহ নানা ধরনের অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি দেখা দিয়েছে। এসব ঘটনায় ভালুকা মডেল থানায় পৃথক মামলা হলেও অধিকাংশ মামলারই কোন কিনারা হচ্ছেনা বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের। ১৪ আগস্ট উপজেলার উথুরা ইউনিয়নের নারঙ্গী গ্রামের শামছুল হক মাস্টারের ছেলে দলিল লেখক আবু জাকারিয়া মিন্টুকে বাড়ির পাশের নসু ফকিরের ভিটায় দুর্বৃত্তরা কুপিয়ে খুন করে।
২৬ জুলাই ময়মনসিংহ-গাজীপুর জেলা সীমানায় ভালুকা উপজেলার সীমান্তবর্তী আরিফ স্পিনিং মিল ও শ্রীপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী জৈনাবাজারস্থ গুলশান স্পিনিং মিলের মালিকপক্ষের মধ্যে জমি নিয়ে সংঘর্ষ বাধে এবং এক পর্যায়ে গুলশান স্পিনিং মিলের ভেতর থেকে নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করলে সুনামগঞ্জের দুয়ারাবাজার গ্রামের মাইনউদ্দিনের ছেলে রড মিস্ত্রি আবুস সালাম (৩৫) গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে মারা যান এবং অর্ধ-শতাধিক শ্রমিক গুলিবিদ্ব হয়ে আহত হন।
২০ জুলাই উপজেলার বর্তা গ্রামের মৃত: হাছেন আলীর ছেলে দুবাই ফেরত জামাল (৩৫) জামাল ও তার খালা ফালানী (৪৫) বাড়ির ঝগড়া থামাতে এসে প্রতিবেশি মোটরস সাইকেল মিস্ত্রি আজিম উদ্দিনকে (৪৫) বুকে, পেটে ঘুশি ও মাথায় লাঠি দিয়ে আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে চিকিত্সাধীন অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মারা যান।
সম্প্রতি উপজেলা ভরাডোবা মুলতাজিম স্পিনিং মিলের শ্রমিক নাদিরা (২০) সন্ধ্যা রাতে মিলের ৫ তলার ছাদ থেকে রহস্যজনকভাবে নিচে পড়ে গেলে মিল কর্তৃপক্ষ তাকে তড়িঘড়ি করে মুমূর্ষু অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর নাদিরা চিকিত্সাধীন অবস্থায় মারা যান।
