জানার কর্নার

ডাক্তার হতে চাইলে...

আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ১৮:২৮
আলীম ফাউন্ডেশন কর্তৃক পরিচালিত বহুমুখি এই মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থিরা একই ছাদের নিচে পাচ্ছে- ব্যাচেলর অব মেডিসিন ও সার্জারী, ডেন্টাল সার্জারী, বিএসসি নার্স এবং ডিপ্লোমা নার্স শিক্ষা। অবকাঠামোগত মজবুত ভিত্তি, সর্বাধুনিক শিক্ষা উপকরণ, অভিজ্ঞ শিক্ষক, বর্ণাঢ্য ক্লিনিক্যাল সুযোগ-সুবিধা তথা হসপিটালে প্রত্যেকেই অত্যন্ত সমৃদ্ধ ও সাবলম্বী। এরা পৃথক প্রতিষ্ঠান হলেও পাশাপাশি হওয়ায় ভবিষ্যত্ ডাক্তারগণ নির্দিষ্ট শিক্ষার বাইরেও বিনিময় করতে পারছে বহুমুখি অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান। তুরাগ নদীর কাছে সবুজবষ্টিত ক্যাম্পাসটি যেমনি সুন্দর তেমনি শিক্ষানুকুল নিরিবিলি পরিবেশ। একাডেমিক ভবনের ২য় তলায় রয়েছে সুবিশাল লাইব্রেরী। সেখানে রয়েছে অসংখ্য বই, জার্নাল এবং হাই স্পিড ইন্টারনেটের ব্যবস্থা। লাইব্রেরী দক্ষ লাইব্রেরীয়ান দ্বারা পরিচালিত এবং ছাত্র ও শিক্ষকদের জন্য রয়েছে পৃথক ব্যবস্থা। শ্রেণিকক্ষে ব্যবহার করা হয় অত্যাধুনিক প্রজেক্টর ও মাল্টিমিডিয়ার মত আধুনিক শিক্ষা উপকরণ এবং প্রত্যেকটি কক্ষই অত্যন্ত প্রশস্ত খোলা মেলা ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। ডিসসেকশন রুমটি বেশ বৃহদাকার, যেখানে একসাথে ১২০ জন ছাত্র-ছাত্রী নির্বিঘ্নে তাদের ব্যবহারিক ক্লাস করতে পাওে এবং আছে বৃহত্ পরিসরের ৬টি ল্যাব, যেখানে একসঙ্গে অন্তত ৩৫ জন শিক্ষার্থী কাজ করতে পারে। একই সাথে আছে মাল্টিমিডিয়া ও অন্যান্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত ৫টি লেকচার গ্যালারী। ল্যাবের সামনে কথা হল শেষ বর্ষের দুজন ভাবী ডাক্তারের সাথে। তারা বললেন, অন্য অনেক প্রাইভেট মেডিকেলে যেখানে ডেডবডির স্থলে ডামি ইউজ করে, নেই প্রাকটিসের জন্য নিজস্ব হসপিটাল (অন্য হসপিটালে প্রাকটিস করতে হয়) এবং ১০/১৫ জন ১টি মাইক্রোস্কোপ পর্যায়ক্রমে ব্যবহার করে, সেখানে এই হসপিটালে রয়েছে ৫-৬ টি ডেডবডি এবং প্রতি ৩/৪ জনের জন্য একটি মাইক্রোসো্কাপ। এদের মধ্যে বেশীর ভাগই এসেছে নেপাল, কাশমির, শ্রীলংকা, মালদ্বীপ, কাতার ও পর্তুগাল থেকে। আরও জানতে ফোন:৮৯৮২১২৩-২৪, ০১৭১৬৫৭৭৩৭৭