জোকস

আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২০:১৫
 একবার মামলাবাজ এক লোক একটা পাখি শিকার করল। গুলি খেয়ে পাখিটা একটা ক্ষেতের উপর পড়ল। লোকটি বেড়া টপকে ক্ষেতে ঢুকতে গেলে বৃদ্ধ মালিক তাকে আঁটকালেন। বললেন, ‘আমার জমিতে ঢোকা যাবে না। তা ছাড়া আমার জমিতে কিছু পড়লে সেটা তো আমার।’ লোকটি বলল, ‘আমি এই শহরের সবচেয়ে বড় মামলাবাজ। আমি তোমার বিরুদ্ধে মামলা করব। তারপর দেখবে পাখি আমার নাকি তোমার।’ ক্ষেতের মালিক মনে মনে লোকটির ওপর রেগে গেলেও মুখে বললেন ভিন্ন কথা। তিনি বললেন, ‘আমাদের এদিকে ঝগড়া মীমাংসা করার ধরনটা কিন্তু একটু ভিন্ন। আমরা ঝগড়া মীমাংসা করি তিন লাথি পদ্ধতিতে।” লোকটি জানতে চাইল তিন লাথি পদ্ধতি কী? ক্ষেতের মালিক বললেন, ‘প্রথমে আমি তোমাকে তিন লাথি দেব। তারপর তুমি আমাকে তিন লাথি দেবে। আবার আমি তোমাকে তিন লাথি দেব। এভাবে চলতেই থাকবে যতক্ষণ না কেউ সারেন্ডার করে।’ লোকটি দেখল এখন মামলা টামলা করলে অনেক সময় নষ্ট হবে। এতে পাখিটা হয়তো পাওয়া যাবে। কিন্তু যতক্ষণে সেটা হাতে এসে পৌঁছাবে ততক্ষণে পাখির মাংসের স্বাদটাই নষ্ট হয়ে যাবে। তাই তিনি মামলা বাদ দিয়ে লাথি পদ্ধতিতে এই বিষয়টি মীমাংসা করতে রাজি হলেন। তা ছাড়া তিনি ভাবলেন এই বৃদ্ধ আর ক’টা লাথিই বা সহ্য করতে পারবে! প্রথমেই এলো বৃদ্ধের লাথি মারার পালা। বৃদ্ধ প্রথম লাথিটা মারলেন তার হাঁটুতে, মামলাবাজ লোকটি চিত্কার করে মাটিতে পড়ে গেল। দ্বিতীয় লাথিটা ধেয়ে এল তার নাক বরাবর, নাক দিয়ে বেরিয়ে এলো রক্ত। আর বুক বরাবর দেওয়া তৃতীয় লাথিতে লোকটির প্রায় অজ্ঞান হওয়ার দশা। যাই হোক অনেক কষ্ট করে তিনি উঠে দাঁড়ালেন। কারণ এই লাথির জবাব তাকে দিতেই হবে। কিন্তু বৃদ্ধকে কষে একটা লাথি মারার জন্য পা তুলতেই বৃদ্ধ ব্যক্তিটি হেসে বললেন, ‘ঠিক আছে আর লাথি মারতে হবে না। ঠিক সেই মুহূর্তে বৃদ্ধ হেসে বললেন, ‘আমি সারেন্ডার করলাম। তোমার পাখি তুমি নিয়ে যাও!’