অসময়ে গ্রীষ্মকালীন ফুলকপি চাষ করে অভাবনীয় সাফল্য পেয়েছেন ঈশ্বরদীর সাকড়েগাড়ির চরমিরকামারী গ্রামের আনোয়ারুল ইসলাম। জৈবসার ব্যবহার করে গড়ে তুলেছেন বিশ্বাস আদর্শ কৃষি খামার। আনোয়ারুল জানান, গত কয়েক বছর যাবত্ তিনি অসময়ে গ্রীষ্মকালীন সবজির চাষাবাদ করে আসছেন। শীতকালে এ সকল সবজি কৃষকেরা ব্যাপক মাত্রায় চাষাবাদ করার ফলে তখন ন্যায্যমূল্য পাওয়া যায় না। বিক্রি না হলে অনেক সময় ফুলকপি রাস্তায় ফেলে দিতে হয়। সে কারণে কৃষক আনোয়ারুল গত কয়েক বছর যাবত্ গ্রীষ্মকালীন ফুলকপি, বাঁধাকপি, মূলা, ধনিয়া পাতা, টমেটো চাষাবাদ করছেন।
এবার তিনি চার বিঘা জমিতে উন্নতমানের ফুলকপি চাষ করেছেন। ফলনও হয়েছে ভালো। এ সকল ফুলকপি দেখতেও বেশ চমত্কার এবং খেতেও সুস্বাদু। অসময়ে বাজারে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বাজারে প্রতিটি ৪০/৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া জমি থেকেই ফুলকপি বিক্রি করছেন বলে আনোয়ারুল জানান। ঈশ্বরদীর বিভিন্ন এলাকার ও আশেপাশের গ্রাম থেকে প্রতিদিনই তার জমিতে ফুলকপি দেখতে কৃষকরা আসছেন এবং চাষাবাদের পরামর্শ নিচ্ছেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ খুরশিদ আলম জানান, ফুলকপি হচ্ছে মূলত শীতকালীন সবজি। অসময়ে করাও সম্ভব তবে পরিশ্রম একটু বেশি করতে হয়। সেইসাথে ফলন শীতকালীন সময়ের চেয়ে কম হয়। তবে ফলন কম হলেও দাম বেশি পাওয়া যায়।
