পিঁয়াজের বাজার মনিটরিংয়ে টিম গঠন করেছি

আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২২:২৪
বাণিজ্যমন্ত্রী গোলাম মোহাম্মদ কাদের বলেছেন, বাজারে পিঁয়াজের মূল্য স্বাভাবিক রয়েছে। টিসিবির পিঁয়াজের সঙ্গে বাজার মূল্যের পার্থক্য ৫ থেকে ৭ টাকা। গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সরেজমিনে সরকারের বিপণন সংস্থা ‘ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ-টিসিবি’র বিক্রয়কেন্দ্র পরিদর্শনের সময় তিনি এ কথা বলেন। তবে বাণিজ্যমন্ত্রীর এমন মন্তব্যে ক্রেতারা তাত্ক্ষণিক ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। এ সময় পিঁয়াজ কিনতে আসা একজন ক্রেতা অভিযোগ করে বলেন, বাজারে অনেক বেশি দাম দিয়ে পিঁয়াজ কিনতে হচ্ছে। ৯০ থেকে ৯৫ টাকার নিচে পিঁয়াজ কেনা যাচ্ছে না। অথচ টিসিবি ৫৫ টাকা কেজি দরে পিঁয়াজ বিক্রি করছে। জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাজার মনিটরিংয়ের জন্য টিম গঠন করেছি। টিম মাঠে রয়েছে। এছাড়া পিঁয়াজের দর স্বাভাবিক পর্যায়ে না আসা পর্যন্ত টিসিবির বিক্রয় কার্যক্রম চলবে। প্রয়োজনে ইউনিয়ন পর্যায়েও পিঁয়াজ বিক্রি করা হবে। মন্ত্রী বলেন, ভারতের বিকল্প হিসেবে মিয়ানমার, পাকিস্তান, চীন ও তুরস্ক থেকেও পিঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে। ব্যবসায়ীরা যাতে সহজে পিঁয়াজ আমদানি করতে পারেন সে জন্য তাদের ঋণের সুদের হার কমাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে আমরা অনুরোধ করেছি। জানা গেছে, ইতিমধ্যে পিঁয়াজের দাম কমাতে আমদানিকারকদের জন্য ব্যাংক ঋণের সুদ হার কমিয়ে ১২ শতাংশ বেঁধে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এদিকে টিসিবি ৫৫ টাকা কেজি দরে পিঁয়াজ বিক্রি করলেও বাজার নিয়ন্ত্রণে তা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না। চাহিদার তুলনায় সরকারের এই সংস্থাটি অল্প পরিমাণে পিঁয়াজ বিক্রি করছে বলে ক্রেতারা অভিযোগ করেছেন। গতকাল বাজারে দেশি পিঁয়াজ মান ভেদে ৮০ থেকে ৮৫ টাকা এবং আমদানিকৃত পিঁয়াজ ৯০ থেকে ৯৫ টাকায় বিক্রি হয়।