পুলিশ কর্মকর্তা দম্পতি খুন

ঐশীর বন্ধু জনি আবার রিমান্ডে

আপডেট : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২২:৫৭
পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের (রাজনৈতিক শাখা) পরির্দশক মাহফুজুর রহমান ও তার স্ত্রী স্বপ্না রহমানের হত্যা মামলায় তাদের কন্যা ঐশী রহমানের ঘনিষ্ঠ বন্ধু আসাদুজ্জামান ওরফে জনির ফের ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। এর আগে ১৯ সেপ্টেম্বর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে ৫ দিনের জন্য রিমান্ডে পাঠায় আদালত। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তারেক মঈনুল ইসলাম ভুঁইয়া এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে গতকাল বুধবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক আবু আল খায়ের জনিকে ঢাকার সিএমএম আদালতে হাজির করে আরও সাত দিন রিমান্ডের জন্য আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, এ আসামি চাঞ্চল্যকর পুলিশ দম্পতি খুনের মামলায় আসামি ঐশী রহমানকে বিদেশে পাঠানোর প্রলোভন দেখায় বলে স্বীকার করেছে। হত্যা ঘটনার পরে ঐশী রহমান তার আশ্রয়েই ছিল। হত্যার পর জনি ঐশীকে দুবাই পাঠানোর উদ্দেশ্যে তার বন্ধু মিজানুর রহমান রনির মাধ্যমে উত্তরা মুগদা মদিনাবাগ এলাকায় একটি বাড়ীতে তাদের আশ্রয় দেয়। ঐশীর দেয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতেও আসামির নাম আসে। চাঞ্চল্যকর এ হত্যার সে ইন্ধনদাতা। রিমান্ডে থাকা অবস্থায় জনি বেশকিছু চাঞ্চল্যকর তথ্যও দিয়েছে। এ মামলায় তার সংশ্লিষ্টতা ও অন্যান্য সহযোগীদের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট সাক্ষ্য ও তথ্য প্রমাণ সংগ্রহ করতে আসামিকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা একান্ত প্রয়োজন বলে দাবি করা হয়। গত ১৮ সেপ্টেম্বর রাজধানী বাড্ডার আফতাবনগর এলাকা থেকে ?জনিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পুলিশ দম্পত্তি হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই সে পলাতক ছিল। এ হত্যা মামলায় ঐশী ও তার বন্ধু রনি বর্তমানে কারাগারে ও সুমি গাজীপুরের কিশোরী সংশোধন কেন্দ্রে রয়েছে। গত ১৬ আগস্ট রাজধানীর মালিবাগের চামেলীবাগে নিজেদের বাসা থেকে পুলিশ দম্পত্তির ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।