দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তি ও সংগঠন তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুত্-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির রামপাল অভিমুখে লংমার্চ কর্মসূচিতে সংহতি প্রকাশ করেছেন। একই সাথে তারা রামপালে বিদ্যুত্ কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ বাতিলের দাবি জানান।
যারা সংহতি ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন তারা হলেন, অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এডভোকেট সুলতানা কামাল ও এম. হাফিজ উদ্দিন খান, অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবাল, ফারাহ কবির (এ্যাকশন এইড বাংলাদেশ), সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান (বেলা), ড. এম এ মতিন (বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন), মো: আবু নাসের (পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন), আরমা দত্ত (প্রিপট্রাস্ট), খুশী কবির (নিজেরা করি), ড. বদিউল আলম মজুমদার (সুজন), ড. ইফতেখারুজ্জামান (টিআইবি)।
সংহতি প্রকাশ করে দেয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তারা বলেন, লংমার্চের আবেদন উপেক্ষা করে ২২ অক্টোবর, ২০১৩ তারিখে রামপাল কয়লা বিদ্যুত্ কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের যে ঘোষণা জ্বালানি উপদেষ্টা দিয়েছেন তা জনমত অবজ্ঞার সামিল এবং অত্যন্ত অগণতান্ত্রিক বিধায় স্বাক্ষরকারিগণ এ সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে এবং অবিলম্বে এ সিদ্ধান্ত বাতিলের জন্য সরকার ও জ্বালানি উপদেষ্টার প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছে।
তারা বলেন, বিশ্ব ঐতিহ্যের ধারক সুন্দরবনের মতো একটি নাজুক পরিবেশগত ব্যবস্থার পাশে কয়লা তাপবিদ্যুত্ কেন্দ্রের মত মারাত্মক দূষণকারী একটি শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা একটি আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত। এরূপ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন রোধে জনমত গড়ে তুলতে লংমার্চ আয়োজনের সিদ্ধান্তটি একটি সময় উপযোগী ও জনস্বার্থে গৃহীত গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।
