চ্যানেল টোয়েন্টিফোর ও আলোচকদের বিরুদ্ধে নোটিস জারি

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২২:২২
বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের কর্তৃপক্ষ, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি জাফরুল্লাহ চৌধুরী ও সাংবাদিক মাহফুজউল্লাহর বিরুদ্ধে কেন আদালত অবমাননার অভিযোগে ব্যবস্থা নেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে নোটিস জারি করেছেন যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল। আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে তাদের অবস্থানের ব্যাখ্যা দিতে হবে। এর মধ্যে জাফরুল্লাহ চৌধুরী ও মাহফুজউল্লাহকে সশরীরে ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দিতে হবে। বাকিরা আইনজীবীর মাধ্যমে ব্যাখ্যা দিতে পারবেন। গতকাল বৃহস্পতিবার বিচারপতি এটিএম ফজলে কবীরের নেতৃত্বাধীন যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ নোটিস জারি করেন। আদেশে বলা হয়, ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলা নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য প্রচারিত হওয়ায় চ্যানেলটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, নির্বাহী পরিচালক, অনুষ্ঠান প্রধান, আলোচনা অনুষ্ঠান ‘মুক্তবাক’-এর প্রযোজক, সঞ্চালক মাহমুদুর রহমান মান্না, জাফরুল্লাহ চৌধুরী ও সাংবাদিক মাহফুজউল্লাহর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ আনা হয়েছে। পাশাপাশি অনুষ্ঠানের ওই পর্ব যাতে পুনঃপ্রচারিত না হয় তা নিশ্চিত করতে চ্যানেল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বিবাদীদের কাছে আদেশের কপি পৌঁছে দিতে ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রারকে বলা হয়েছে। গত মঙ্গলবার চ্যানেল টোয়েন্টিফোর কর্তৃপক্ষ, দুই আলোচকসহ আটজনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে আদালত অবমাননার অভিযোগ দায়ের করে রাষ্ট্রপক্ষ। গত বুধবার এ বিষয়ে শুনানি হয়। উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ৪ এপ্রিল মানবতাবিরোধী অপরাধের ২৩টি অভিযোগে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুীরর বিচার শুরু হয়। গত ১৪ আগস্ট সার্বিক বিচারিক কার্যক্রম শেষে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রাখা হয়েছে। নিজামীর বিরুদ্ধে তদন্ত কর্মকর্তাকে ফের জেরা সোমবার একাত্তরের মানবতা বিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত জামায়াতের আমির মতিউর রহমান নিজামীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের ২৬তম ও শেষ সাক্ষী তদন্ত কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক খানের জবানবন্দি শেষে জেরা শুরু করেছে আসামিপক্ষ। জেরা অসমাপ্ত অবস্থায় মামলার কার্যক্রম আগামী সোমবার পর্যন্ত মুলতবি করেছেন যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। এদিকে আসামিপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে আগামী শনিবার অ্যাডভোকেট মিজানুল ইসলামসহ ৩ আইনজীবীকে কাশিমপুর কারাগারে নিজামীর সঙ্গে সাক্ষাতের অনুমতি দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। ৫ আইনজীবীর সাক্ষাতের অনুমতি চেয়ে বুধবার আবেদন জানিয়েছিল আসামিপক্ষ। অন্যদিকে, বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এ কে এম ইউসুফের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলাটি আগামী ৬ অক্টোবর পর্যন্ত মুলতবি করেছে। এ মামলায় গতকাল রাষ্ট্রপক্ষের প্রথম সাক্ষী মুক্তিযোদ্ধা লিয়াকত আলী খানকে আসামিপক্ষের জেরার দিন ধার্য ছিল। তবে সাক্ষী অসুস্থ থাকায় মামলার কার্যক্রম মুলতবি করা হয়।