নাটোরে মাদ্রাসা সুপারের প্রতারণার শিকার ছাত্রী

আপডেট : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২১:৫১
লালপুর উপজেলার ফরিদপুর ইসলামীয়া দাখিল মাদ্রাসা সুপারের প্রতারণার শিকার হয়ে দাখিল পাস করেও কলেজে ভর্তি হতে পারেনি মাদ্রাসা ছাত্রী নুসরাত জাহান মৌ। পিতা সামছুল হক জানান, মাদ্রাসা সুপার উজ্জল হোসেন তার ফরিদপুর গ্রামের বাড়িতে গিয়ে টাকা নিয়ে মেয়ের দাখিল পরীক্ষার ফরম পূরণ করেন। কিন্তু পরীক্ষা শুরুর প্রথমদিন আগ মুহূর্তে হলে গিয়ে সুপার অন্য একজনের প্রবেশপত্র ও নিবন্ধনপত্র দেন। ঐ প্রবেশপত্রে নুসরাত জাহানের স্থলে শিলা খাতুন, মাতার নাম শিউলি খাতুনের স্থলে রোমেছা বেগম ও পিতার নাম সামছুল হকের পরিবর্তে মোকবুল হোসেন লেখা ছিল। মৌ এই পরিচয়ে পরীক্ষা দিতে আপত্তি জানালে মাদ্রাসা সুপার পরীক্ষা শেষে সব সংশোধন করে দেবেন বলে আশ্বাস দেন। নুসরাত জাহান পরীক্ষা দিয়ে ৩.১৯ পেয়ে পাস করে। পরে মাদ্রাসা সুপার কিছুই সংশোধন করে দিতে পারেননি। এর ফলে তার কলেজে ভর্তি হওয়া সম্ভব হয়নি। মাদ্রাসা সুপার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, নুসরাত জাহানের নিবন্ধন করা ছিল না। অতিরিক্ত নিবন্ধন করা অন্য একজনের নামে তার পরীক্ষা দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়। বর্তমানে তা সংশোধনের চেষ্টা হচ্ছে।