ইদানীং বিদ্যুতের লোডশেডিং নিত্যনৈমিত্তিক হয়ে উঠেছে। ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকার জহুরিমহল্লায় কিছুদিন হলো একটা অদ্ভুত ব্যাপার লক্ষ করা যাচ্ছে। আমরা যে চারতলা বিল্ডিংয়ে থাকি তার একাংশ যখন লোডশেডিংয়ের কবলে পড়ে তখন অন্য অংশে বিদ্যুত্ থাকেন! এর কারণ দু’অংশে দু’লাইন। দু’অংশে সমান সমান লোডশেডিং হলে কথা ছিল না। কিন্তু আমাদের অংশে হচ্ছে তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি— সারা দিন-রাতে অন্তত চারবার প্রতিবার এক ঘণ্টা সোয়া ঘণ্টা বা দেড় ঘণ্টা করে। যেমন সকাল দশটা-এগারোটায় একবার, দুপুর দুটো-তিনটে বা চারটায় একবার, সন্ধ্যে সাতটায় একবার, রাত সাড়ে ন’টা বা এগারোটায় আরেকবার। কখনো কখনো বিদ্যুত্ যাওয়া-আসার মধ্যেই থাকে। গত বুধবার (২৫-৯-২০১৩) সন্ধ্যে সাতটায় গিয়ে সোয়া আটটার দিকে বিদ্যুত্ এলো। আবার রাত পৌনে দশটা থেকে এগারোটা পর্যন্ত লোডশেডিং করা হলো। এই দু’দফা লোডশেডিংয়ের সময়সহ আগে পরে আমাদের বিল্ডিংয়ের অপর অংশসহ আশেপাশে বিদ্যুত্ থাকতে দেখেছি। এর কারণ জানতে সংশ্লিষ্ট বিদ্যুত্ অভিযোগ কেন্দ্রে (৯১৪৬০৪৩) ফোন করলাম। আমার অভিযোগ শুনে অপর প্রান্ত থেকে বলা হলো— লোডশেডিং সমস্ত লাইনে একইভাবে করা হচ্ছে এবং আমার কথা তাঁরা বুঝতে পারছেন না। তারপরও আমাদের লাইনে কোনো সমস্যা থেকে থাকলে আমরা যেন তাঁদের কাছে দরখাস্ত করি— তারপর তাঁরা দেখবেন! তাই এই চিঠি লেখা। বিদ্যুতের লোডশেডিং থেকে তো পরিত্রাণ নেই, কিন্তু এ ক্ষেত্রে সমতা রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশা করি। বিষয়টির প্রতি সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
ওয়াসিফ-এ-খোদা,
এফ-৪২/৫ বাবর রোড (চতুর্থ তলা), মোহাম্মদপুর, ঢাকা
