আজ আবার সংসদ অধিবেশন বসছে

আপডেট : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২২:৩৩
চলতি নবম জাতীয় সংসদের ১৯তম অধিবেশন একটানা ১০ দিন বিরতির পর আজ সোমবার আবার বসছে। সরকারের দিক থেকে পরিষ্কার করে না বললেও এটি যে বর্তমান সংসদের শেষ অধিবেশন সে ধরনের ইঙ্গিত একাধিকবার দেয়া হয়েছে। শেষ অধিবেশন ধরে নিয়ে বিরতির আগে ও পরে বেশ কয়েকটি বিল পাস করার কথা রয়েছে। এদিকে বিএনপির নেতৃত্বাধীন বিরোধী দল চলতি অধিবেশন শুরু আগে যোগদান করবে এমন কথা বললেও শেষ পর্যন্ত তারা যোগদান করেনি। প্রথম দফায় বলা হয়েছিলো বিরোধী দলীয় নেত্রীর উত্তরাঞ্চল সফর শেষে রাজধানীতে ফেরার পর সংসদীয় দলের বৈঠকে অধিবেশনে যোগদান করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। কিন্তু গত ১৯ সেপ্টেম্বর অধিবেশন ১০ দিনের জন্য মূলতবি করা হয়। আর সে পর্যন্ত বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা কোন বৈঠক করেননি। বিএনপির সূত্র জানায়, সংসদ সদস্যদের মধ্যে অনেকেই অধিবেশনে যোগদান করে বক্তব্য রাখতে চান। কিন্তু দলের চেয়ারপার্সনের দিক থেকে কোন সবুজ সংকেত না পাওয়ায় তারা নীরব ভূমিকা পালন করছেন। খুলনা সফর শেষে বিরোধী দলীয় নেতা রাজধানীতে ফেরার পর সংসদ সদস্যদের নিয়ে বৈঠক করবেন কিনা তাও স্পষ্ট নয়। বিরোধী দলের সকল সংসদ সদস্যকে রাজধানীতে থাকতে বলা হয়েছে। আর এ থেকে তাদের ধারণা, হয়তো যে কোন সময় এ অধিবেশনেই যোগদান করতে হতে পারে বিএনপি। চলতি অধিবেশন আগামী ২৪ অক্টোবর শেষ হবে এমন সিদ্ধান্ত হয়েছে গত ১২ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে। সংসদ সচিবালয় জানায়, ঈদ-উল-আযহা এবং দুর্গা পূজা উপলক্ষে অধিবেশনের লম্বা বিরতি দেয়া হবে। ঈদ ও পূজার পর ২২ অক্টোবর অধিবেশন আবার শুরু হয়ে ২৪ অক্টোবর শেষ হবে। প্রতি কার্যদিবসে বিকাল ৫টায় অধিবেশন শুরু হয়ে রাত ৯টা পর্যন্ত চলবে। শেষ অধিবেশন ধরে নিয়েই চলতি অধিবেশনে বেশ কয়েকটি বিল পাস করার কথা রয়েছে। গতকালই তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (সংশোধন) বিল ২০১৩ চলতি অধিবেশনে পাস করানোর বিষয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি সুপারিশ করেছে। জাতীয় সংসদ ভবনে জুনাইদ আহমেদ পলকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে বিলের কয়েকটি ধারা ও উপ-ধারায় কিছু সংশোধনীসহ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (সংশোধন) বিলটি পাসের জন্য রিপোর্ট চূড়ান্ত করা হয়। এছাড়া পাসের অপেক্ষায় রয়েছে ভোটার তালিকা (দ্বিতীয় সংশোধন) আইন-২০১৩’, ‘জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন (সংশোধন) আইন-২০১৩’, পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন (সংশোধন) ২০১৩’, দ্যা ফরেস্ট (সংশোধন) ২০১২’, বৃক্ষ সংরক্ষণ ২০১২ ছাড়াও আরো কয়েকটি বিল।