রাজধানীর রূপনগরে জাফরুল হক মুক্তা হত্যাকাণ্ডে ৩৬ ঘন্টা পার হয়ে গেলেও গতকাল রবিবার রাত পর্যন্ত পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। তবে হত্যাকাণ্ডের মোটিভ হিসাবে পুলিশ তিনটি বিষয়কে সামনে নিয়ে তদন্তে নেমেছে।
তদন্তকারী কর্তৃপক্ষ জানায়, ব্যবসায়ী মুক্তাকে ভাড়াটে কিলার দিয়ে হত্যা করার পেছনে যেসব কারণ থাকতে পারে তার মধ্যে তিনটি মোটিভ নিয়ে পুলিশ তদন্তে নেমেছে। তদন্তকারী দলের কাছে এর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোটিভ হচ্ছে-তার গ্রামের বাড়ি মাদারীপুর শিবচরে জমি নিয়ে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রউফ সিকদার ও তার ভাইদের সঙ্গে বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে মামলা চলছে। দ্বিতীয়টি হচ্ছে, নিহত ব্যবসায়ীর আবাসন ব্যবসা নিয়ে অনেকের সঙ্গে লেনদেন রয়েছে এবং তৃতীয়টি হচ্ছে রূপনগর এলাকার একটি কনফেকশনারি নিহত ব্যবসায়ীর সঙ্গে বিরোধ চলছিল।
মিরপুর জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, খুনিদের গ্রেফতারে পুলিশের ২টি দল ঢাকা ও ঢাকার বাইরে তল্লাশি চালাচ্ছে। হত্যাকাণ্ডের মোটিভ সম্পর্কে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছেন বলে তিনি জানান। খুনি দ্রুত গ্রেফতার হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
রূপনগর থানার ওসি সিকদার মো. শামীম হোসেন বলেন, ব্যবসায়ী হত্যাকাণ্ডে তার ভাই বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। তবে খুনি অজ্ঞাত বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
গত শনিবার দুপুরে মিরপুর ৬ নম্বর সেকশনের নিজ বাসায় ঢুকে সন্ত্রাসীরা গুলি করে হত্যা করে ব্যবসায়ী মুক্তাকে।
