হত্যাকাণ্ডের পর একবছর পেরিয়ে গেলেও জোড়া খুনের জট খোলেনি। খুনের ঘটনায় পুলিশ ৫ জনকে গ্রেপ্তার করলেও খুলছে না এ মামলার জট। কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার চরটেকী গ্রামে গতবছরের ১৩ অক্টোবর রাতে দুর্বৃত্তরা গণধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করে এক স্বামী পরিত্যক্তা গৃহবধূকে। এ সময় তার সাথে থাকা দুই বছরের শিশুপুত্র আশিকেও পাশের ব্রহ্মপুত্র নদীতে ফেলে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। পরদিন পুলিশ মা ও শিশুপুত্রের লাশ উদ্ধার করে। ঘটনার পরেরদিন নিহতের ছোটভাই বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামিদের নামে থানায় মামলা করেন। হত্যাকাণ্ডের একমাস পর পুলিশ প্রথমে চরপাড়াতলা গ্রামের আফাজউদ্দিনকে (৪০) গ্রেপ্তার করেন। পরে তার স্বীকারোক্তিতে রাতে একই গ্রামের কিরন মিয়া (৩৫), খোকন মিয়া (২৫), আলম মিয়া (৪২) ও দক্ষিণ চরটেকি গ্রামের ছিদ্দিক হোসেন (২৬) নামের ৪ জনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃতরা সবাই কারাগারে রয়েছেন। কিন্তু কিছুতেই খুলছে না চাঞ্চল্যকর এ মামলার জট। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক জাকির হোসেন জানান, ঘটনার দিন জাহানারার ভাই মঞ্জুর রিকশায় চড়ে ভিকটিম ও তার শিশুপুত্র দক্ষিণ চরটেকি গিয়েছিল। এসব তথ্যের জট খুলতে রিকশাচালক মঞ্জু ও মোস্তফাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য খোঁজা হচ্ছে। জড়িত না থাকলে ওদেরকে মামলায় সাক্ষী করা হবে বলে জানান এ কর্মকর্তা। কিন্তু ঘটনার পর থেকেই ওই দু’জন আত্মগোপনে থাকায় হত্যাকাণ্ডের জট খুলছে না
