সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক বিচারপতি শামীম হাসনাইন বলেছেন, সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী ১৯৭১ সালের মে মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত পাকিস্তানের পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে ছিলেন। প্রধান বিচারপতির কাছে লেখা এক চিঠিতে তিনি এ কথা বলেন।
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী এমপির পক্ষে সাফাই সাক্ষী দেয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে প্রধান বিচারপতিকে চিঠি দিয়েছিলেন বিচারপতি হাসনাইন। গত ২২ জুলাই লেখা চিঠিতে তিনি বলেন, আমি জানতে পেরেছি, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযুক্ত সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী সাফাই সাক্ষী হিসাবে আমার নাম দিয়েছেন। আমি স্বীকার করছি, পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ে আমি সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর সহপাঠী থাকায় আসামিপক্ষের সাক্ষী হিসাবে আমার নাম দেয়া হয়েছে। আমার কয়েকজন সহকর্মী বিচারপতি বলেছেন, আমি হাইকোর্ট বিভাগের একজন বর্তমান বিচারপতি হওয়ায় কোনো আদালতে সাক্ষী হিসাবে উপস্থিত হওয়ার ক্ষেত্রে বাধা রয়েছে। একদিকে পেশাগত বিধি মানার বাধ্যবাধকতা অন্যদিকে বিবেকের দায় আমার মধ্যে কাজ করছে। এ অবস্থায় আমি আপনার পরামর্শ ও সিদ্ধান্ত চাইছি। এ বিষয়ে আপনার যে কোন সিদ্ধান্তে আমার সম্মতি থাকবে। কিন্তু প্রধান বিচারপতি তার আবেদনের বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত দেননি।
এদিকে সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর পক্ষ থেকে ট্রাইব্যুনালে বিচারপতি শামীম হাসনাইনের ওপর সমন জারির আবেদন করা হয়েছিলো। বিচারপতি শামীম যেহেতু উচ্চ আদালতের একজন বিচারক সেই বিবেচনায় ট্রাইব্যুনাল তার ওপর সমন জারি থেকে বিরত থাকে।
