সকল শিশু হাসবে যখন শহর গেরাম জুড়ে,
পড়ালেখায় থাকবে না ভয় গাইবে পাখির সুরে।
প্রজাপতির রঙিন ডানায় মনের আল্পনাতে,
স্বপ্ন-সুখের আঁকবে ছবি শিশু কল্পনাতে।
হেসে-খেলে উঠবে বেড়ে দুরন্ত বীর বেশে,
পক্ষী হয়ে উড়াল দেবে অজানা দূর দেশে।
মানবে নাতো বাধা কারো স্বাধীন মনে-প্রাণে,
বিশ্বকে জয় করে নেবে লক্ষ তারার গানে।
শিশুশ্রমের নিয়ম-কানুন মানবে না কেউ না আর,
তোমার খেলার সাথী হবে বন্ধু চমত্কার।
আকাশ-বাতাস কাঁপিয়ে তুমি খেলবে যে দুর্জয়ে,
পাঠশালাতে যাবে তুমি থাকবে না ডর-ভয়ে।
দূর নীলিমায় চাঁদের মাঠে ভাসবে তারার মেলায়,
গ্রামের মেঠো পদ্মঝিলে খেলবে কলার ভেলায়।
কখন আবার কাবাডি আর গোল্লাছুটে ছুটবে,
অমানিশায় চন্দ্র হয়ে মেঘলাকাশে ফুটবে।
তুমি স্বাধীন মুক্তমানিক করবে জগত্ জয়,
তোমার মহত্ কর্মকাণ্ডে গর্বিত নিশ্চয়
মা-জননীর আদেশ মতো বিদ্যা বুদ্ধি শিখে,
দূর বিদেশে পক্ষিরাজে উড়াল দেবে ঠিক-এ।
কতোরকম মানুষ ভিড়ে মিশবে তুমি একা,
মায়ের আশীর্বাদেই হবে বিশ্বটাকে দেখা।
শিক্ষা স্বাস্থ্য, বস্ত্র কিংবা বাসযোগ্য স্থানে,
সকল শিশু উঠবে বেড়ে ফুল ফসলের ঘ্রাণে।
ভয়ভীতিতে থাকবে না কেউ আনন্দ ঝলমলে,
হাসি-গানে কাটবে সাঁতার সমুদ্র নীল জলে।
শিশুর মেধা বিকাশে সব এক সাথে কাজ করবো,
ন্যায়নীতিরই আলোর পথে শিশুর জীবন গড়বো।
আম্মা-আব্বা অভিভাবক শিশুর অধিকারে,
সবচে’ বেশি থাকবে সজাগ নির্ভীক একেবারে।
সকল শিশু পড়ালেখায় যত্নবানও হবে,
আলোকিত আগামীটা গড়বে তোমরা সবে।
