অনেকেরই ইচ্ছা ও স্বপ্ন থাকে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন সব বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করার। তবে আমাদের দেশের শিক্ষার্থীদের সে সামর্থ থাকে না বললেই চলে। তাই দেশে বসেই আন্তর্জাতিক মানের ডিগ্রি নেওয়ার সুযোগ করে দেওয়ার লক্ষ্য গ্রহণ করেছে ড্যাফোডিল ইনস্টিটিউট অব আইটি (ডিআইআইটি)।
শিক্ষা পদ্ধতি :বৃটিশ কাউন্সিলের তত্ত্বাবধানে ফাইনাল পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হয়। প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও উত্তরপত্র পরীক্ষিত হয় যুক্তরাজ্যে। এর যাবতীয় ক্লাশ অনুষ্ঠিত হয় ডিআইআইটিতে।
সার্টিফিকেট ও ক্রেডিট ট্রান্সফার :যুক্তরাজ্যের গ্রিনিচ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক বিএসসি অনার্স ইন বিজনেস ইনফরমেশন টেকনোলজি সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়। যুক্তরাজ্যসহ বিশ্বের সহস্রাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্রেডিট ট্রান্সফার করার সুযোগ রয়েছে।
মান নিয়ন্ত্রণ :ডিআইআইটি ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক মান নিয়ন্ত্রণ, অভিজ্ঞ শিক্ষক, শ্রেষ্ঠ ফলাফল ও অধিক সংখ্যক শিক্ষার্থীর জন্য যুক্তরাজ্যের এনসিসি এডুকেশন কর্তৃক বেস্ট পার্টনার ও একাডেমিক এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছে। পরীক্ষার মান নিয়ন্ত্রণের জন্য রয়েছে ব্রিটিশ কাউন্সিল, ইউনিভার্সিটি অব গ্রিনিচ ও এনসিসি এডুকেশন, ইউকে। ৯১১৭২০৫, ০১৭১৩৪৯৩১৬৩ নম্বরে ফোন করে এখানকার শিক্ষার মান ও অন্যান্য বিষয়ে জানতে পারবেন।
ভর্তির যোগ্যতা ও খরচ :যেকোনো গ্রুপে এইচএসসি/এ লেভেল অথবা সমমান পাশ। ৪ বছর মেয়াদি কম্পিউটার ডিপ্লোমাধারীরা দুই বছরে বিএসসি (অনার্স) ইন ইনফরমেশন টেকনোলজি প্রোগ্রামটি সম্পন্ন করতে পারবে। সাড়ে ৪ থেকে ৫ লক্ষ টাকা খরচ পড়বে কোর্স সম্পন্ন করতে, যা মাসিক কিস্তিতে পরিশোধযোগ্য।
চাকরি ও বাড়তি সুবিধা :ডিআইআইটি থেকে উত্তীর্ণরা প্রায় সবাই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। তাছাড়াও ডিআইআইটির শিক্ষার্থীরা ড্যাফোডিল গ্রুপের ১৭টি প্রতিষ্ঠানে এবং বিভিন্ন ব্যাংক, সরকারি, বেসরকারি ও ম্যাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কর্মরত আছে।
ডিআইআইটিতে রয়েছে উন্নত লাইব্রেরি, বিনামূল্যের ওয়াই-ফাই জোন, আধুনিক কম্পিউটার ল্যাব। রয়েছে ১০%-১০০% পর্যন্ত ড্যাফোডিল ফাউন্ডেশন কর্তৃক স্কলারশিপের সুবিধা।
ভর্তির তথ্য :ডিআইআইটিতে বছরে ৪টি সেশনে (মার্চ, জুন, সেপ্টেম্বর ও ডিসেম্বর) ধানমন্ডি, কলাবাগান, উত্তরা ও চট্টগ্রাম ক্যাম্পাসে এবং ২ টি শিফটে (সকাল ও সন্ধ্যা) ভর্তি নেওয়া হয়।
যোগাযোগ :বাড়ী-৭, রোড-১৪ (নতুন), ২৯ (পুরাতন), ধানমন্ডি, ঢাকা।
