আব্দুর রহমান
ইন্টারভিউ
অফিসার :ছিঃ! আপনি ইন্টারভিউ দিতে এসেছেন এই ময়লা পোশাক পরে?
অ্যাপ্লিকেন্ট :কী করব স্যার বলেন, সাহেবের মতো ভালো ভালো পোশাক পরে অনেক ইন্টারভিউ দিলাম। কিন্তু একটাতেও চাকরি পেলাম না। তাই ভাবলাম এবার একটু নোংরা পোশাক পরে যাই। গরিব ভেবে যদি চাকরিটা দিয়ে দেন এই আশায়।
বুদ্ধির ঢেঁকি
এক ব্যক্তি কাঁচা দালান ঘরে বালতি দিয়ে প্রচুর পানি দিচ্ছে। পাশ দিয়ে এক পাগল যাচ্ছিল।
পাগল :মানুষের বুদ্ধি যে এত কইমা গেছে, তা আগে জানতাম না।
ব্যক্তি :কীরে হাসেম পাগলা, তুই কী কইতে চাস?
পাগল :এত খাটুনি কইরা পানি না দিয়া বৃষ্টি আইলে ঘরের চাল খুইলা দিলেই তো অয়।
মসলা
—ছিঃ ছিঃ! বিয়েবাড়িতে সবাই ভাত পাতে রেখে এভাবে উঠে যাচ্ছে কেন?
—আর বলিয়েন না ভাই। কাঁঠাল বাগানে খোলা যায়গায় রান্না করতে গিয়ে ওপর থেকে পাখি তরকারিতে মসলা ছেড়ে দিয়েছে। এ কথা জানাজানি হওয়ায় আজকে অতিথিদের এই অবস্থা।
সমানুপাতিক
বল্টু :চুল কাটতে কত নেবেন?
নাপিত :৩০ টাকা।
বল্টু :২০ টাকা দেব কাটবেন?
নাপিত :না, আপনার মাথায় অনেক চুল। ৩০ টাকাই লাগবে।
বল্টু :তাহলে ২০ টাকায় যতটুকু কাটা যায়, ততটুকুই কেটে দেন।
একজন নব প্রেমিকের ব্রেকআপ
সুজন আর সীমা পার্কে বসে গল্প করতেছে।
সীমা :আচ্ছা এর আগে তুমি প্রেম করেছ?
সুজন :নাহ! এর আগে আমার কোন জিএফ ছিল না। তুমিই প্রথম।
পাশ দিয়ে সুজনের এক শত্রু যাচ্ছিল। সে তাদের প্রেম করা দেখে কাছে এসে বলল, ‘বাহ! দোস্ত তোর এবারের জিএফটা দেখছি এর আগেরটার থেকেও সুন্দর।
অতঃপর তাদের সেখানেই ব্রেকআপ ঘটল।
তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ
এক অনুষ্ঠানে এক ছাত্র আজগুবি খবর পড়ছিল? ‘আগামীকাল মশার সাথে মশার যুদ্ধ সংগঠিত হবে, যার কারণে আর একটি মশাও বেঁচে থাকবে না।’
এই কথা শুনে শেখ বাড়ির কাজের ছেলে তার মালিকের জন্য কিনে আনা মশারিটা ফেরত দিতে বাজারে গেল।
মালিক :এই মশারি নিয়ে তুই যাচ্ছিসটা কই?
কাজের ছেলে :খবরে শুনলাম কাল থাইকা দেশে আর একটা মশাও থাকব না। তাই আগে ভাগেই মশারিটা ফেরত দিয়া আইতাছি। এতদিন তো খালি টিভিতে খবর শুনছি। আইজ নিজের চউক্ষে খবর দেখলাম।
সাবজেক্ট চয়েস
ছেলে :বাবা আমি অনার্সে অ্যাপ্লাই করমু। এখন কোন সাবজেক্ট চয়েস দেওয়া যায়, কও তো।
বাবা :তোর যেইডা ভালো লাগে, সেইডাই দে। পারলে রসায়ন দে। তবে খবরদার কেমিস্ট্রি দিস না। নামটা যে কঠিন। না জানি বইটা আরো কত কঠিন হইব।
শেভ
ঝন্টু :আপনার কাছে তো ১০ টাকা পাই। সেই টাকায় আমাকে দাড়ি-গোঁফ শেভ কইরা দেন।
নাপিত :হইব না। আপনি আমার কাছে ১০ টাকা পান। কিন্তু দাড়ি-গোঁফ শেভ করতে ২০ টাকা কইরা নেই।
ঝন্টু :তাইলে ১০ টাকার শুধু একটা গাল শেভ কইরা দেন। অন্য একটা সেলুনেও ১০ টাকা পাই তো। সেখানে গিয়া আরেকটা গাল শেভ কইরা নিমু, ব্যস।
ধার শোধ করার বুদ্ধি
প্রথম বন্ধু :আচ্ছা তোর তো কোনো ইনকাম নাই, তাহলে মানুষের কাছে ধার নিয়ে শোধ করিস ক্যামনে?
দ্বিতীয় বন্ধু :যদি এই বুদ্ধিটা শুনতে চাস তাহলে তুই আমাকে ২০০ টাকা ধার দে, সব বলতেছি।
প্রথম বন্ধু :এই নে ২০০ টাকা। এখন বল।
দ্বিতীয় বন্ধু :এই যে তোর কাছে আমি ২০০ টাকা ধার নিলাম, এই টাকাটা তোকে শোধ করব আরেক জনের কাছে ধার নিয়ে।
প্রথম বন্ধু :তাকে শোধ করবি কিভাবে?
দ্বিতীয় বন্ধু :তাকে শোধ করব আবার আরেক জনের কাছে ধার নিয়ে এবং তাকেও শোধ করব আবারো আরেক জনের কাছে ধার নিয়ে।
তেলাপোকা
শিক্ষক :মনে কর একটি ঘরে দুইটি তেলাপোকা। তুমি কিভাবে বুঝবে কোনটি ছেলে তেলাপোকা আর কোনটি মেয়ে তেলাপোকা?
ছাত্র :স্যার যেই তেলাপোকাটি ড্রেসিং টেবিলের সামনে ঘুরঘুর করবে বুঝে নিব, সেটি-ই মেয়ে তেলাপোকা।
বিয়ের অঙ্ক
মা :খবরদার এখন বিয়ের কথা বলবি না। আগে তোর ২৫ বছর হোক, তারপর বিয়ের আলাপ। এখন তোর ২২ বছর চলছে মাত্র।
ছেলে :আমার তো এখন বিয়ের বয়স হয়ে গেছে মা। কারণ তুমি তো জানোই বর্তমানে ছেলে আর মেয়েদের সবক্ষেত্রে সমান অধিকার। মেয়েদের বিয়ের বয়স যদি আঠারো হয় তাহলে ১৮+২৫= ৪৩/২=২১.৫ । সুতরাং আমার ৬ মাস আগেই বিয়ের বয়স হয়ে গেছে।
অতঃপর মা তার ছেলের বিয়ের অঙ্ক দেখে সঙ্গে সঙ্গে পাত্রী খুঁজতে গেলেন।
ব্রেকআপ
বিএফ :আমার এই বুকের জায়গাটা শুধুই তোমার।
জিএফ :যদি আমি হঠাত্ মারা যাই তাহলে জায়গাটা কাকে দেবে?
বিএফ :কেন, মিতু আর মিম তো আছেই।
জিএফ :কি! এই মিতু আর মীমটা আবার কে?
বিএফ :না মানে... ইয়ে মানে...
জিএফ :চুপ, আমি বুঝে গেছি সব।
অতঃপর তাদের মিষ্টি সম্পর্কের ব্রেকআপ ঘটতে আর বেশিক্ষণ সময় লাগল না।
স্বপ্ন
বাবা :এই দুপুরবেলা যাচ্ছিস কোথায়?
ছেলে :কাল রাতে স্বপ্নে দেখেছি মামা আমাকে ইনভাইট করেছে। তাঁর কথা তো রাখতে হবে তাই না? তুমিই তো বলেছ, বড়জনদের কথা অমান্য করতে নাই।
বল্টুর রক্ত দান
ডাক্তার :রোগীর জন্য ১ ব্যাগ অই+ রক্ত লাগবে। তাড়াতাড়ি ম্যানেজ করুন।
বল্টু :ডাক্তার সাব, আমি আর আমার ভাই রক্ত দেব।
ডাক্তার :আপনাদের রক্তের গ্রুপ কী?
বল্টু :আমার অ+ আর আমার ভাইয়ের ই+। দুইটা মিশাইয়া অই+ বানাইয়া নিবেন।
চাকরি বনাম বিয়ে
ছেলে :বাবা তুমি আমার সার্টিফিকেটে বয়স বাড়িয়ে না দিয়ে এক বছর কমিয়ে দিলে কেন?
বাবা :আরে বোকা, চাকরিতে দরখাস্ত করার জন্য এক বছর সময় বেশি পাবি তাই। কিন্তু এক বছর বাড়িয়ে দিতে বললি কেন শুনি?
ছেলে :বাড়িয়ে দিলে এক বছর আগে বিয়ে করতে পারতাম তাই।
বাবা :হারামজাদা লাঠি দেখছস?
এবার তো একটা বাচ্চা দাও
স্ত্রী :ওগো, বিয়ের অনেকদিন হয়ে গেল, এবার তো আমাকে একটা বাচ্চা দাও।
স্বামী :যেটা আছে, সেটার খরচই তো সামলাতে পারছি না।
স্ত্রী (রেগেমেগে) :কী বললে? এর আগে তো বিয়েও করোনি। তাহলে আরেকটা বাচ্চা আসল কোথা থেকে? দুশ্চরিত্র কোথাকার।
স্বামী :না মানে... ইয়ে মানে, মানে...।
সুতরাং পরের দিন থেকে বউকে আর স্বামীর বাসায় দেখা গেল না। দেখা গেল না তো গেলই না।
দোষ হোক যথাতথা বিচার হোক সঠিক
আদালতে এক আসামির বিচার হচ্ছে।
উকিল :ইওর অনার, আসামি তার বয়ানে অনেক মিথ্যা বলেছে। এর জন্য আমি তার অতিরিক্ত শাস্তি দাবি করছি।
আসামি :জজ সাহেব, মিথ্যা বলায় যদি আমাকে অতিরিক্ত শাস্তি দেন তাহলে এই আদালতের সব উকিলদেরই শাস্তি দিতে হবে। কারণ ওরাও কম মিথ্যা বলে না। তিলকে তাল বানিয়ে দেয় আর তালকে বানায় তিল।
স্পেশাল বুদ্ধি
শিক্ষক :ভূমিকম্প এলে তুমি কী করবে?
ছাত্র :তাড়াতাড়ি সুপারি গাছে উঠব স্যার। কারণ বাড়িঘর ভেঙে গেলেও গাছ ভাঙবে না।
কর্তব্য
মা :কী ব্যাপার, তুই পড়া বাদ দিয়ে হুট করে উঠে রুম ঝাড়ু দিচ্ছিস কেন? এইমাত্রই তো আমি রুমটা ঝাড়ু দিলাম।
মেয়ে :ম্যাডাম বলেছেন মায়ের কথা অবশ্যই মানতে হয়, এটা সবার কর্তব্য। নাহলে মা মনে ভীষণ কষ্ট পান। বইয়ের একটা গল্পে দেখলাম রুনাকে তার মা রুম ঝাড়ু দিতে বলছে, কিন্তু সে দিচ্ছে না। তাই আমিই উঠে রুম ঝাড়ু দিয়ে দিলাম।
চাপাবাজ
পরীক্ষার প্রশ্ন বাংলা ইংরেজি দুটো ভার্সনেই করা হয়েছে।
প্রথম বন্ধু :দোস্ত, তুই কি বাংলায় আনসার করবি নাকি ইংলিশে?
দ্বিতীয় বন্ধু :ইংলিশে আনসার করলে তো স্যার পড়তেই পারবে না। তাই বাংলাতেই করব।
ভার্চুয়াল প্রেম
প্রথম বন্ধু :কী দোস্ত, চুপচাপ করে বসে আছিস কেন? মন খারাপ?
দ্বিতীয় বন্ধু :আরে বলিস না, ১ বছর ধরে ফেসবুকে একটা মেয়ের সাথে প্রেম করলাম। পরে জানতে পারলাম সে ছেলে।
দেবীধস, পঞ্চগড়।
